সীতাকুণ্ডে বেশ কিছুদিন ধরে অতিবৃষ্টির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কিছু জায়গা খানাখন্দকে ভরে গেছে। ফলে যান চলাচলে জনগণকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা যায়, টানা বৃষ্টি ও নিম্নমানের কাজের কারণে মহাসড়কে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশাল গর্তগুলোতে পানি জমে থাকায় চালকরা ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাচ্ছে।
মহাসড়কের বেশিরভাগ এলাকা জুড়ে নুড়িপাথর উঠে গিয়ে সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ উপজেলার অংশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪৮ কিলোমিটার রাস্তা বর্তমানে খানাখন্দকে ভরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, অত্র উপজেলার বড় দারোগারহাট, ছোট দারোগারহাট, পৌরসভাস্থ দক্ষিণ বাইপাস, ফকিরহাট, কুমিরা বাইপাস, জোরামতল ফকিরহাট, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গেইট, পাক্কা মসজিদ, বার আউলিয়া, ফুলতলা, চৌধুরী ঘাটা, কাশেম জুট মিল, মাদামবিবিরহাট, ভাটিয়ারী, বিএমএ গেইট, জলির গেইটসহ অন্তত ৩০ কিলোমিটার সড়ক বড় বড় গর্তে ভরা।সড়কের এ অংশটি সম্প্রসারিত চারলেন প্রকল্পের দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কয়েকবার সংস্কার করলেও কোন সংস্কারই স্থায়ী হচ্ছে না।
এ কারণে গর্তগুলোতে গাড়ির চাকা পড়ে চাকার স্প্রিং ভেঙে গাড়ি বিকল হয়ে ব্যস্ততম এ মহাসড়কে ঘন্টার পর ঘন্টা যানজট লেগে থাকে। কুমিরা পুলিশ ফাঁড়ি হাইওয়ে, বার আউলিয়া থানা হাইওয়ে ও ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়িসহ যানজট নিরসনে তাদেরকে বেগ পেতে হয়। যানজটে গাড়িতে অবস্থান করা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাছাড়া অতি বৃষ্টির ফলে গ্রামীণ জনপদের রাস্তা-ঘাট গুলোর বেহাল দশায় জনগণের চলাচলে চরম অস্বস্তি পোহাতে হয়। কারণ, বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ায় বুঝা যায় না এটি কি গ্রামের রাস্তা কিনা।
আরও পড়ুন: জলঢাকায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ
বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের আসা যাওয়া করতে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। তবে বাড়বকু- ইউনিয়নের মান্দারীটোলা ও ভাটিয়ারী ইউনিয়নের মাদামবিবিরহাট গ্রামীণ রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী হওয়ার ফলে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে যায়।এ বর্ষায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের অনেকগুলো রাস্তা-ঘাটসহ কৃষকদের ফসলি জমি। অতি বৃষ্টির দরুণ এ অঞ্চলে সবজির অভাব দেখা দিবে বলে উক্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রেহান উদ্দিন রেহান জানান। অভিজ্ঞ মহলের মতামত, বর্ষা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের গর্তগুলোসহ গ্রামীণ রাস্তাগুলো সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।
ইত্তেফাক/নূহু
