শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদী থেকে নিয়ম না মেনে চলছে বালু তোলার অভিযোগে উঠেছে। লিজ এরিয়ার বাইরে থেকে বালু তোলায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।
জানা যায়, বালু মহালের ইজারাদার আসাদুজ্জামান স্বপন মহারশি নদীর হলদীগ্রাম মৌজার এক একর এলাকা থেকে বালু তোলার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে লিজ পান। কিন্তু তিনি প্রায় ২০ একর এলাকা থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছেন।
গোমড়া উডলড বাগানের সভাপতি সন্ধ্যাকুড়া গ্রামের ইউপি সদস্য শাহ জাহানসহ অন্য সদস্যরা বলেন, বালু উত্তোলন কারীরা হলদিগ্রাম ও গোমড়া মৌজায় ৩০/৩৫টি শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছে। লিজ এরিয়ার বাইরে থেকে বালু উত্তোলনের ফলে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। এতে গোমড়া সামাজিক বনের প্রায় ১০ একর জমির উডলট বাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গোমড়া, সন্ধ্যাকুড়া গ্রামের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গ্রামের দুই হাজার মানুষ ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন। বালু উত্তোলন কারীরা সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নো ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় বালু লুটপাট করছে।
সন্ধ্যাকুড়া বিট কর্মকর্তা রাশেদ ইবনে সিরাজ বলেন, বালু উত্তোলনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে ইজারাদার লিজ এরিয়ার বাইরে থেকে বেপরোয়া ভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে সামাজিক বন ধ্বংস ও নদী ভাঙনের পাশাপাশি প্রাণ-বৈচিত্র হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন: সংগ্রামের জুমে দেদারে তোলা হচ্ছে বালি
মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, নিয়ম না মেনে বালু তোলা হচ্ছে।
বালু মহালের ইজারাদার আসাদুজ্জামান স্বপন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, লিজ এরিয়ার বাইরে থেকে বালু তোলা হচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল হাসান বলেন, যে কোনো সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
ইত্তেফাক/অনি

