ঢাকা শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৩ °সে


চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান। ফাইল ছবি

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৪ সালের এই দিনে বিশ্বের অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে নড়াইলের জেলা প্রশাসন, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন ও এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিল্পীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মাজার জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, শিশুস্বর্গে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী।

এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের চিত্রা পাড়ের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মেছের আলী ও মায়ের নাম মাজু বিবি। বাবা-মা আদর করে নাম রাখেন লাল মিয়া। তিনি তার অসাধারণ তুলির আঁচড়ে বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

শিল্পী সুলতানের বাবা মেছের আলী পেশায় ছিলেন রাজমিস্ত্রি। দরিদ্রতার মধ্যেও তিনি ১৯২৮ সালে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে লেখাপড়া শুরু করেন। স্কুলের অবসরে বাবাকে কাজে সহযোগিতা করার সময় ছবি আঁকার হাতেখড়ি হয় তার। তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউ ইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ ও এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা, ১৯৮২ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক পান। জন্মস্থান নড়াইলের প্রতি শিল্পী সুলতানের অকৃতিম ভালোবাসা ছিল। তার ইচ্ছা অনুযায়ী নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে মাছিমদিয়ায় অবস্থিত নিজের বাসভবনের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় বরেণ্য এই চিত্রশিল্পীকে।

ইত্তেফাক/ইউবি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন