ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬
২৩ °সে


উখিয়ায় পাহাড় কেটে বালু ও মাটি পাচার

উখিয়ায় পাহাড় কেটে বালু ও মাটি পাচার
উখিয়ার হরিণমারা এলাকায় অবাধে কাটা হচ্ছে পাহাড় —ইত্তেফাক

কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে বালি ও মাটি পাচার চলছেই। রোহিঙ্গারা আসার পর এনজিওরা কেটেছে শতাধিক পাহাড়। এরই ধারাবাহিকতায় এখনো পাহাড় কাটা অব্যাহত রয়েছে উখিয়া ও ইনানীসহ বিভিন্ন বনভূমিতে। এক শ্রেণির চিহ্নিত ভূমিদস্যু দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় গাড়িভর্তি মাটি দিনদুপুরে পাচার করছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি পাহাড় কেটে মাটি পাচারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উখিয়া কর্মস্থলে যোগদান করার পর থেকে এ পর্যন্ত মাটি ও বালি পাচারের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রায় ২০০ মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।

পালংখালীর চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, পাহাড় কাটারমতো নির্মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেল খাটতে হয়েছে। তাই তিনি এসব নিয়ে আর বাদ প্রতিবাদ করছেন না।

আরো পড়ুন : বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার করার পক্ষে নয় ইসি

উখিয়ার বন রেঞ্জের তথ্য মতে, বর্তমানে ৬ হাজারেরও অধিক বনভূমি রোহিঙ্গারা ভোগদখল করছে। বনরেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গারা বিলাস জীবনযাপনের জন্য দিনদিন ক্যাম্প সম্প্রসারণ করে বনভূমির অপব্যবহার করছে। বিষয়টি উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার উত্থাপন করার পরেও বন রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন উখিয়া শাখার সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিকদারসহ বেশ কয়েকজন পরিবেশবাদী অভিযোগ করে বলেন, নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে। পাহাড় কাটার মাটি এসে এলাকার খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে। বনসম্পদের ওপর রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা যে নগ্ন আচরণ করছে তা অব্যাহত থাকলে আগামী প্রজন্মকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, মৌসুমের এ সময়ে আমন চারা রোপণের কাজ কৃষকরা বিগত সময়ে শেষ করেছে। চলতি মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে অনেক কৃষক জমিতে লাঙ্গল ফুটাতে পারেনি।

ইত্তেফাক/ইউবি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১২ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন