মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসনের পর কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে গতকাল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিচার শুরু হওয়ার কথা। সেই দিনেই সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নিলেন তিনি। সেখানে ট্রাম্প নিজ দেশের অর্থনীতির যেমন প্রশংসা করেন তেমনি জলবায়ু নীতিরও সমালোচনা করতে পিছপা হননি। খবর আল-জাজিরা ও রয়টার্সের
চার দিনব্যাপী সম্মেলনে গতকাল মঙ্গলবার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়েছেন। এবারের সম্মেলনে অর্থনীতি এবং জলবায়ু দুটো ইস্যুই গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থনীতিকে রক্ষা করবে। ট্রাম্প বলেন, এখন আশাবাদ প্রকাশের সময়, হতাশার নয়। তিনি সুইডিশ জলবায়ু কর্মীর নাম উল্লেখ না করেই জলবায়ু নীতি নিয়ে ঐ কিশোরীর সমালোচনা করেন। তিনি জলবায়ু ইস্যুকে সবময়ই প্রাকৃতিক বলে উল্লেখ করে আসছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার এবারের এজেন্ডায় মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে সম্মেলনে এসেছেন ইরাকি প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ ও ইরাকের উত্তরাঞ্চলের কুর্দিশ অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেকিরভান বারজানি। তার সঙ্গে সাক্ষাতের তালিকায় আছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
আরো পড়ুন : এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব
মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন ইস্যুতে বিচার শুরু হওয়ার কথা। তবে এরই মধ্যে বিচার নিয়ে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককোনেলের নীতির সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। এর মাধ্যমে বিচার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে না বলে উল্লেখ করেছেন তারা। এই নীতির ফলে ট্রাম্পের আইনজীবী এবং ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি-তর্ক উপস্থানের জন্য ৪৮ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ চারদিন সময় পাবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রিপাবলিকান জানিয়েছেন, নতুন নীতির ফলে ট্রাম্পের আইনজীবীরা দ্রুত সিনেটরদের প্রতি সব অভিযোগ বাতিল করতে আহ্বান জানাতে পারবেন। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে যে সাতজন ট্রাম্পের বিচার শুরু করবেন সেই তারা জানিয়েছেন, এটা বিচারের জন্য সুষ্ঠু পদক্ষেপ নয়।
ইত্তেফাক/এসইউ

