ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশের বিভিন্ন স্থানে খানা-খন্দের কারণে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝিনাইদহ থেকে শেখপাড়ার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। কিন্তু অন্তত পাঁচটি স্থানে রাস্তা ভেঙেচুরে গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের শেখপাড়া, চড়ুইবিল, গাড়াগঞ্জ ও ভাটই বাজারে ভেঙেচুরে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তায় হাঁটু সমান গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পানি কাদা জমে মানুষ চলাচলেরও অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মংলা বন্দর থেকে পণ্য বোঝাই ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস এ সড়ক হয়ে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে যাতায়াত করে থাকে। এ ছাড়াও এ সড়ক পথে পণ্যবাহী ট্রাক ও বাস বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করে থাকে। এ কারণে সড়কটিতে যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। অনেক সময় শেখপাড়া, গাড়াগঞ্জ ও ভাটইতে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। জনদুর্ভোগেরও সৃষ্টি হচ্ছে।
ট্রাকচালক কাশেম আলি জানান, গাড়াগঞ্জ ও ভাটই বাজার ক্রস করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মহেন্দ্র চালক রবীন বলেন, তাদের ভয়ে ভয়ে চালাতে হয়। কখন গাড়ি উলটে যায়।
বাজারের আশপাশের লোকদের অভিযোগ প্রতি বছর গাড়াগঞ্জ ও ভাটই বাজার এলাকায় সড়ক মেরামত করা হয়। কিন্তু মাস না পেরুতেই ফের ভেঙেচুরে যায়। বর্ষাকালে একদম টেকে না।
এদিকে শৈলকুপা গাড়াগঞ্জ সড়কও ভেঙেচুরে গেছে। এটি শৈলকুপা উপজেলা সদরের সঙ্গে জেলা সদরের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক। মাঝেমধ্যে মেরামত করা হয়। ছয় মাস না পেরুতেই ভেঙেচুরে যায়।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার জানান, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ভাঙাচোরা স্থানগুলো মেরামতের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। বৃষ্টি গেলে কাজ শুরু হবে।
