সৌদি আরব ফেরত পাঠিয়েছে আরো ২০০ বাংলাদেশিকে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ০০:৪৮

সৌদি আরবে পুলিশি অভিযানের মুখে আটক ২০০ বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরেই ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৬ হাজার ২০০ বাংলাদেশিকে। যাদের অনেকেরই দেশটিতে কাজ করার বৈধ আকামা রয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শুক্রবার রাতে ২০০ বাংলাদেশি কর্মী সৌদি আরব থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। এ সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় তাদের জরুরি খাবার পানিসহ বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

ফেরত আসা কর্মীদের মধ্যে কুড়িগ্রামের আকমত আলী পাঁচ মাস আগে সৌদি আরব যান। তার আকামার (কাজের অনুমতি) আরো দশ মাস থাকলেও তাকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জের সম্রাট শেখ জানিয়েছেন, সৌদি আরবে কাজের অনুমতি আরো আট মাস ছিল। কিন্তু নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর বিনা অভিযোগে পুলিশ আটক করে তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। একই অভিযোগ নারায়ণগঞ্জের সাইফুল ইসলাম এবং চট্টগ্রামের আবদুল্লাহর। কারো ছয় মাস, কারো আট মাস আবার কারো এক বছর কাজের অনুমতি থাকার পরও পুলিশ বিনা অভিযোগে আটক করে তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে।

২০১৯ সালে এ পর্যন্ত ১৬ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতায় ৮০৪ জনকে ব্র্যাক সহযোগিতা করেছে। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান ব?লেন, ফেরত আসা কর্মীরা যেসব বর্ণনা দিচ্ছেন সেগুলো মর্মান্তিক। সাধারণত ফ্রি ভিসায় গিয়ে এক জায়াগার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গি?য়ে ধরা পড়লে অনেক কর্মী দেশে ফেরত আসত। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের কাজের অনুমতি থাকার পরও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এর দায় নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন গিয়ে এমন বিপদে না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।