পুলিশের লাঠিচার্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালি পণ্ড

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৩১

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে কমপক্ষে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর মন্ডলপাড়া ও চাষাঢ়া এলাকায় প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মন্ডলপাড়া এলাকায় মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট শাখাওয়াৎ হোসেন খানের নেতৃত্বে জেলা ও মহানগর যুবদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা একটি র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি বঙ্গবন্ধু সড়কের ডিআইট এলাকায় এলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে র‌্যালিটি চাষাঢ়ার দিকে যেতে থাকলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ চলতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। 

আরও পড়ুন: নিরাপত্তা চেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জিডি

একই সময়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নেতৃত্বে নগরীর চাষাঢ়ায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মহানগর যুবদলের আরেকটি র‌্যালি বের করা চেষ্টা করা হয়। সেখানেও পুলিশ বাধা দিয়ে ব্যানার ছিনিয়ে নেয়। এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পরে পুলিশের ব্যারিকেডের ভেতরে মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে পুলিশের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে। 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘পুলিশ আমাদের ব্যানার কেড়ে নিয়েছে। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে বাধা দিয়েছে।’ পুলিশের লাঠিচার্জে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে দাবি করে খোরশেদ আরও বলেন, ‘আমরা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে চাই।’

এ বিষয়ে এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, পুলিশ আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার হরণ করেছে। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। 

ইত্তেফাক/এএএম