টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান টকশো। টকশোর টেবিল সাজানো হয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দিয়ে। তাদের আপ্যায়নের জন্য টেবিলে থাকে চা, কফি ও পানি। সম্প্রতি চা, কফি ও পানির পরিবর্তে একজন রাজনৈতিক নেতা বিড়ি-সিগারেট খেয়েছেন। এ ঘটনা থেকে উপলব্ধি করা যায় যে টেলিভিশন টকশোতে আপ্যায়নে ভিন্নতা আনা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। চা, কফি ও পানির একঘেয়েমি দূর করতে টকশোতে আরো যা খাওয়ার ব্যবস্থা
করতে হবে, সেসব নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ অংকন
মুড়ি
চা, কফি, সিগারেটের মতো মুড়ি একটি হালকা ধাঁচের খাবার। টকশোর ফাঁকে ফাঁকে মুড়ি খেলে কোনো সমস্যা হবে না। এতে মুখ এঁটো হবে না, হাতও মাখবে না। ধোঁয়া-মোছার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই টকশোতে মুড়ি চাবানো যাবে। এতে অবশ্য মুখের জোরও বাড়বে, টকশোতে গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো বলার প্রতি এনার্জি আসবে।
চুইংগাম
টকশোতে সবাই কথা বলার সমান সুযোগ পায় না। অনেককে ঠাঁয় বসে থাকতে হয়। মুখটা নড়বড় করে, কিছু বলি। না, বলা যাবে না। মুখে লাগাম দিতে চুইংগাম চিবানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যখন তার কথা বলার পালা আসবে, তখন মুখ থেকে জাস্ট পায়ের নিচে ফেলে দিলেই খালাস!
বাদাম
ঝটপট চটপট খাওয়ার আরেকটি জিনিস হলো বাদাম। কারো সঙ্গে কথা বলতে বলতে এটি খাওয়া খুবই সহজসাধ্য। টকশোতে সবার টেবিলের সামনে ঠোঙ্গা ভর্তি বাদাম দিতে হবে। টকশোর আড্ডা জমাতে বাদাম হয়ে উঠবে সবচেয়ে উপাদেয় খাবার। এতে দীর্ঘ সময় ধরে টকশো চললেও কেউই কথা থামাবে না। মনে হবে, বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছি!
ফ্রুটিকা
বিজ্ঞাপন মতে জানা গেছে, ফ্রুটিকা খেলে সবাই গোপন কথা মুখ থেকে গড়গড়িয়ে বের করে দেয়। তাই নেতাদের ধান, গম, চুরির কথা; ক্যাসোনি, ট্রেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মানি লন্ডারিংয়ের সকল কথা মুখ থেকে বের করে আনতে ফ্রুটিকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
উত্তরা, ঢাকা
