দামও কমেছে
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
শীতের আমেজ আসতেই পশ্চিমের জেলাগুলোর হাটবাজার শীতকালীন শাকসবজিতে এখন ভরপুর হয়ে উঠেছে। দামও কমেছে। তবে পাইকারি বাজারে যে হারে দাম কমেছে, খুচরা বাজারে সে হারে কমেনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পশ্চিমের যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় ৫১ হাজার হেক্টরে শীতকালীন শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৯ হাজার ৩৯৩ হেক্টরে শাকসবজি চাষ হয়েছে। কয়েক মাস আগে থেকেই শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা ও শিম বাজারে উঠতে শুরু করে।
তবে দাম ছিল খুব চড়া। শীতের আমেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির উত্পাদন বেড়েছে, দামও কমেছে। এ অঞ্চলের বড়ো সবজি হাট যশোরের বারিনগর, চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও নাভারন, ঝিনাইদহের শেখপাড়া, চড়ুইবিল, ভাটই, ঝিনাইদহ সদর, নগরবাথান, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও খালিশপুর, চুয়াডাঙ্গার সদর, আলমডাঙ্গা ও জীবননগর, মাগুরার সদর, শ্রীপুর, আড়াপাড়া ও মহম্মদপুর, কুষ্টিয়ার বিত্তিপাড়া, পোড়াদহ, ভেড়ামারা ও প্রাগপুর এবং মেহেরপুরের গাংনী ও মেহেরপুর সদর হাটে প্রচুর সবজি উঠছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারিরা এসে সবজি কিনে ট্রাকযোগে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান নিয়ে যাচ্ছে।
যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর গ্রামের সবজি চাষি ইজাজুল ইসলাম জানান, শনিবার বারিনগরে পাইকারি ফুলকপি প্রতি কেজি ১৫ টাকা, বাঁধাকপি ১০০টা (১ কেজি সাইজ ) ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ২২-২৩ টাকা, শিম প্রতি কেজি ৪৮ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ২৫ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ১৫-১৬ টাকা ও পালং শাক প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের চাষি জিয়াউর রহমান জানান, তাদের এলাকায় ফুলকপি পাইকারি প্রতি কেজি ১৮-২০ টাকা, বাঁধাকপি ১০০টা ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বরবটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫ টাকা দরে।
