তবুও শীর্ষে বার্সেলোনা

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৯, ২১:১১

রিয়াল, অ্যাটলেটিকোর ড্র

g স্পোর্টস ডেস্ক

লেভান্তের বার্সেলোনার ৩-১ গোলে হারের ফলে রিয়াল মাদ্রিদের সামনে দারুণ সুযোগ ছিল জয় নিয়ে লা লিগার শীর্ষে উঠে আসার। তবে রিয়াল বেতিসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে সেটা হেলায় নষ্ট করেছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। দলটির নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও সেভিয়ার বিপক্ষে ড্র করে শীর্ষে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে।

গত শনিবার দিনের শুরুর ম্যাচে সূচনাটা ভালোই করেছিলেন লিওনেল মেসিরা। আর্জেন্টাইন তারকার পেনাল্টি থেকে এগিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে তার দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ হারানো দলটির পয়েন্ট খোয়ানো নিশ্চিত হয় ৬১ থেকে ৬৮ এই সাত মিনিটে। হোসে কাম্পানইয়া, বোরহা মায়োরাল আর নেমানইয়া রাদোহার লক্ষ্যভেদে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে তারা। এরপর লিওনেল মেসি একবার লেভান্তের জালে বল জড়ালেও ভিএআরের খড়গে সেটা বাতিল হয়। ফলে এগিয়ে গিয়েও দুই গোলের ব্যবধানে হারে লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা।

বার্সার হার মাদ্রিদের দুই দলের সামনে শীর্ষে ওঠার বড়ো সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিল। কিন্তু অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ সেভিয়ার মাঠে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। ২৮ মিনিটে ফ্রাঙ্কো ভাসকেজের গোলটি ৬০ মিনিটে আলভারো মোরাতা শোধ করলেও জয়সূচক গোলের দেখা আর পায়নি তারা। দিনের শেষ ম্যাচে নিজেদের মাঠে রিয়ালও একই ভাগ্যবরণ করে।

তবে দলটির কোচ জিনেদিন জিদান মনে করেন, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা নিজেদের হাতে থাকলেও শুধু গোলটাই করতে পারেনি তার দল। ফরাসি কোচের ভাষ্য, ‘ছন্দ কিংবা তীব্রতা, সার্বিক দিক থেকেই আমরা নিখুঁত ছিলাম, শুধু বলটাই জালে জড়াতে পারিনি আমরা। এটা পরিষ্কার যে আমরা গোলমুখে কার্যকরী ছিলাম না। শুরু থেকেই আমরা অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছিলাম। ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা ছিল আমাদের।’ ২০তম মিনিটে নাবিল ফেকিরের শট বেরিয়ে যায় পোস্টের একটু বাইরে দিয়ে। এরপর সফরকারী বেতিস আরো তিনটি শট নিয়েছিল রিয়াল গোলমুখে। তবুও জিদান জানালেন, দিনটা নেহায়েত মন্দ হয়নি তার দলের। তিনি বলেন, ‘বেতিস ভালো দল, তাদের বেশ কিছু দারুণ খেলোয়াড় আছে। প্রথমার্ধে আমরাই শ্রেয়তর দল ছিলাম। আমি আবারও বলছি, শুধু গোলটাই কমতি ছিল আমাদের। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ সাম্যাবস্থায় চলে এসেছিল ম্যাচটা, কিন্তু আজকের দিনটা একেবারে খারাপ হয়নি আমাদের।’

চলতি মৌসুমে বাজে শুরুর খেসারত দেওয়া বার্সেলোনা ১১ ম্যাচ শেষে জিতেছে মোটে ২২ পয়েন্ট। শেষ ১৬ বছরে নিজেদের প্রথম ১১ ম্যাচ শেষে এর চেয়ে কম পয়েন্ট আর অর্জন করেনি দলটি। ২০০৩-০৪ মৌসুমে ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের অধীনে থাকা দলটি সমানসংখ্যক ম্যাচে পেয়েছিল ১৯ পয়েন্ট। 

তবে এতো বাজে শুরুর পরও প্রতিপক্ষের হোঁচট শিরোপার কক্ষপথেই রেখেছে দলটিকে। ১১ ম্যাচ থেকে ২২ পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর একম্যাচ বেশি খেলে তিনে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সংগ্রহ ২১ পয়েন্ট।