ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। গতকাল সোমবার উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইত্তেফাককে দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্কারে এসব কথা বলেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, শতবর্ষকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কিছু পরিকল্পনার পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে। এখন আমাদের মূলকাজ এই তিনটি ‘বেঞ্জমার্ক’কে সামনে রেখে বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে কর্মসূচিগুলো সফল করা। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিক অগ্রগতি ও একাডেমিক মান ইত্যাদি বিষয়কে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। এসব বিষয়ে পরিকল্পিতভাবে ক্রমান্বয়ে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সে বিষয়ে আমরা কাজ করব।
একাডেমিক মানোন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নের জন্য আমাদের কিছু পদক্ষেপ আছে। তাদের অনেকগুলোই অবকাঠামো, শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক। শিক্ষার গুণগতমান একাডেমিক মানোন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার জন্য আমাদের কিছু প্রকল্প ও পরিকল্পনা আছে। এসব পরিকল্পনায় আমরা সফল হতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকভাবে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য গবেষণা, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মানবৃদ্ধি করা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় যৌথভাবে কাজ করে। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক করারও একটি বিষয় রয়েছে। এর জন্য সকলকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের ইতিবাচক মনোভাব ও সহযোগীতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
