নতুন সড়ক আইনকে পুঁজির চেষ্টা করলে ট্রাফিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০০:২৬

নতুন সড়ক আইনকে পুঁজি করে কোনো সার্জেন্ট বা ট্রাফিক কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক ট্রাফিকের গায়ে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। মামলা দেওয়ার সময় ছবি না তোলা থাকলে সেই ট্রাফিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর কথা মতে আমরা এক সপ্তাহ নতুন সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করছি না জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই আইনটি প্রয়োগের আগে আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আগামী সপ্তাহ থেকে সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগ করা হবে। তিনি বলেন, নতুন ট্রাফিক আইনে সাজার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে সবার মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে।

ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, সচিবসহ সরকারি কর্মকর্তাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ৯৯% যাত্রী হেলমেট পরেছেন। গুটি কয়েক পরছে না যাদের অধিকাংশই পুলিশ ও সার্জেন্ট। এই আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ স্বচ্ছ থাকবে। আমরা পুলিশের সবাইকে বলে দিয়েছি ট্রাফিকের লোকজন যদি আইন অমান্য করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেব।

আইনের ধারাগুলোতে সর্বনিম্ন টাকার পরিমাণ লেখা না থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তির পরিমাণ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে পুলিশ কীভাবে মামলা দেবে জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, নতুন আইন যদি কেউ প্রথমবার ভঙ্গ করে তাহলে তাকে সামান্য পরিমাণ জরিমানা করা হবে। একই সঙ্গে তাকে একটি লিফলেট দেওয়া হবে যে পরবর্তীতে এই একই অপরাধ করলে তাকে আইন অনুযায়ী পুরো জরিমানা বা শাস্তি ভোগ করতে হবে। এক সপ্তাহ নতুন আইনে কোনো মামলা হবে না। এরপর থেকে রশিদের মাধ্যমে মামলা নেওয়া শুরু হবে। আর পজ মেশিনের সার্ভার আপডেট করার পরে এ পদ্ধতিতে মামলা নেওয়া শুরু হবে।