কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রদের লম্বা চুল কাটার হিড়িক পড়েছে।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এম এ জলিল ইভটিজিং বন্ধে এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ পরিদর্শন করে ছাত্রদের লম্বা চুল কাটার নির্দেশ দেন। কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্র স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের ইভটিজিং বেড়ে গেছে। চুল লম্বা করে যুবক কিশোর বয়সি ছাত্র ও বখাটে যুবকরা রাস্তা ও বিভিন্ন মোড়ে দাঁড়িয়ে আড্ডা দেয় এবং ছাত্রীদের প্রতি অশালীন আচরণ করে।
এদিকে থানা পুলিশ প্রশাসনের ছাত্রদের লম্বা চুল কাটানোর উদ্যোগকে অভিভাবকরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। এখন লম্বা চুলের ছাত্রদের স্কুল প্রাঙ্গণে কান ধরে উঠবস করানো হচ্ছে এবং জরুরি ভিত্তিতে চুল কেটে স্কুল-কলেজে আসার জন্য বলা হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে সেলুনে চুল কাটার ধুম পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন কটিয়াদী সেলুন সমিতিকে নির্দেশ দিয়েছে বড়ো চুল দ্রুত কাটার জন্য এবং বড়ো চুলের ডিজাইন না করার জন্য। কটিয়াদী পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউল আলম মাহফুজ জানান, থানা পুলিশ প্রশাসনের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এম এ জলিল জানান, প্রতিটি স্কুল ও কলেজে পর্যায়ক্রমে থানা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে এক ঘণ্টার সেমিনার আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের ইভটিজিং, যানবাহন আইন, মাদক, যৌতুকসহ বিভিন্ন অপরাধ রোধের বিষয়ে সেমিনারে অবহিত করা হবে।
