স্পোর্টস রিপোর্টার
ভারতের জন্য আজকের ম্যাচ জেতার কোনো বিকল্প নেই। আজকের ম্যাচে ভারত যে মরিয়া হয়ে মাঠে নামবে, কঠিন লড়াই করবে; এটা অনুমান করতে পারছে বাংলাদেশ দল। দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলছেন, তারা এই মরিয়া ভারতকে সামলাতে প্রস্তুত আছেন।
রিয়াদ বলছিলেন, এটা শুধু ভারতের জন্য বড়ো ম্যাচ তা নয়। তাদের জন্যও অনেক বড়ো ম্যাচ, ‘আমরা হয়তো কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারছি, তারা দৃঢ়ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। আরো বেশি আগ্রাসি ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবে। ওরা মরিয়া হয়ে আছে, আমরাও কিন্তু মরিয়া হয়ে আছি। এটা কিন্তু অনেক বড়ো একটা সুযোগ আমাদের জন্য, আমাদের ক্রিকেটের জন্য। আমরা প্রথমবারের মতো ভারতে একটা দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসেছি। যদি আমরা ভালো খেলে সিরিজটা জিততে পারি আমাদের জন্য অনেক বড়ো একটা অর্জন হবে।’
আজ ম্যাচ হবে রাজকোটে। দুই দলের অধিনায়কই মনে করছেন, এখানে রান বন্যা হতে পারে। সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করছেন বলে বলছিলেন রিয়াদ, ‘আমি উইকেটের পরিসংখ্যান দেখছিলাম। মনে হলো এটা ব্যাট করার জন্য ভালো উইকেট হবে। হয়তো এটা ১৭০ বা তার বেশি রানের পিচ। কাল আমাদের উইকেট আরো অ্যাসেস করতে হবে। এখানে গড়ে ১৭০-১৮০ রানের মতো হয়ে থাকে। মানে অনেক বড়ো স্কোর হয়ে থাকে। উইকেট হয়তো ভালো হবে। পরিস্থিতি ও কন্ডিশন অনুযায়ী হয়তো আমাদের খেলার পরিকল্পনায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।’
উইকেট খুব বেশি শুষ্ক না হলে বাংলাদেশের উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার কোনো পরিকল্পনা নেই। মাহমুদউল্লাহ জানান, তেমন কোনো কারণ না থাকলে একই একাদশ নিয়ে খেলতে পারেন তারা, ‘কাল বিকেলে এসে উইকেট দেখব। উইকেট যদি বেশি শুষ্ক থাকে তখন হয়তো আমরা পরিবর্তন করলেও করতে পারি। তবে এই মুহূর্তে হয়তো আমরা উইনিং কম্বিনেশনেই থাকার চেষ্টা করব।’
এই ম্যাচের উইকেটকে সঠিকভাবে বোঝাটা খুব জরুরি বলে বলছিলেন রিয়াদ। কারণ, টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার বড়ো শর্ত এই উইকেট বোঝা, ‘টি-টোয়েন্টিতে আমার মনে হয়, আপনি যদি উইকেট বুঝতে পারেন, সেই অনুযায়ী বোলিংয়ের লেন্থ ঠিক করতে পারেন এবং ফিল্ড প্লেসিং করতে পারেন তাহলে আপনার জেতার ভালো সুযোগ থাকবে।’
রিয়াদ বলছিলেন, এই ফরম্যাটে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই মূল ব্যাপার। আর সেটাই করতে চান তারা, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটই এমন, এখানে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটা পরিকল্পনা নিয়ে আপনি এগোলেন এরপর হয়তো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলো, এই ধরনের মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য থাকা বেশি প্রয়োজন।’
