স্পোর্টস ডেস্ক
ক্রিকেট থেকে আপাতত দূরেই আছেন। ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর তাকে আর মাঠে দেখা যায়নি। আদৌ আর মাঠের ক্রিকেটে ফিরবেন কি না, সেই নিয়েও আছে কানাঘুষা। বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) নির্বাচকরাও অপেক্ষায় আছে মহেন্দ্র সিং ধোনির সিদ্ধান্তের। এমন অবস্থায় ধারাভাষ্যকার হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। আর সেই শুরুটা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দিবারাত্রির টেস্ট দিয়েই হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। ইডেন গার্ডেনসে ম্যাচটি শুরু হবে আগামী ২২ নভেম্বর। এর মধ্যদিয়ে দু’ই দলের প্রথম বলের মত গোলাপি বলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবে।
২০১৪ সালেই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানানো ধোনিকে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া আছে। তবে এখনো এই ব্যাপারে বোর্ডের অনুমতি পাওয়ার ব্যাপার আছে। বোর্ডের একটি সূত্র বলেছে, ‘হ্যাঁ, ব্রডকাস্টাররা আমাদের এই ব্যাপারে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি আমরা। যদি বোর্ড অনুমোদন দেয় তাহলে হয়তো দিবারাত্রির টেস্টে ইডেন গার্ডেনসে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা যাবে ধোনিকে।’
আগামী ১৪ নভেম্বর দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই সিরিজ দিয়েই আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ দল। প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোরের হোলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপরই থেকে সেই বহুল আলোচিত দিবারাত্রির টেস্ট। এই ইডেন টেস্টকে সামনে রেখে বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছেন বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। এই টেস্ট দেখতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার সঙ্গে থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ফলে, কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও ম্যাচটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২০০০ সালের নভেম্বরে দেশের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচটায় বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিল ভারতকে। দলটির অধিনায়কও আবার ছিলেন এই গাঙ্গুলি। ইডেন টেস্ট দেখতে সেই ম্যাচে খেলা দুই দলের সবাইকেও আমন্ত্রণ জানাবে বিসিসিআই। ম্যাচ শেষে তাদের দেওয়া হবে সংবর্ধনা। এর সঙ্গে ধারাভাষ্যে ধোনি থাকলে সেটা নিঃসন্দেহে বাড়তি একটা আমেজ এনে দিবে ম্যাচটিতে!
