সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা প্রায় শেষের দিকে। অনেক জায়গায় ভর্তি প্রক্রিয়াও প্রায় শেষ। শিক্ষার্থীরা এখন স্বপ্নের ক্যাম্পাসে পা রাখার অপেক্ষায়। জানুয়ারির প্রথম দিকেই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্যাম্পাস নিয়ে যতটা কৌতূহল থাকে, ঠিক ততটাই র্যাগিং নিয়ে থাকে আতঙ্কে। অনেকে স্বপ্নের ক্যাম্পাসে গিয়ে র্যাগিংয়ের অত্যাচার সইতে না পেরে ক্যাম্পাস ত্যাগ করে, এমনকি আত্মহননের মতো পথও বেছে নেয় কেউ। বর্তমানে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই সিনিয়র দ্বারা জুনিয়র লাঞ্ছিত হওয়া যেন একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে! বিভাগগুলোতেও সিনিয়ররা জুনিয়রদের মানসিক টর্চার করে থাকে। নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী ক্যান্টিন, ক্যাফেটেরিয়া, ডাইনিং, টঙে বসতে পারে না, সব জায়গায় সিনিয়ররা তাদের ওপর এক ধরনের আগ্রাসী ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। শুধু মানসিক টর্চার নয়, শারীরিক টর্চারও করা হয়। অনেক সময় রাজনৈতিক ক্ষমতাও প্রয়োগ করে থাকে তাদের উপর। পরিবার ছেড়ে নতুন একটা পরিবেশে এসে র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে কেউ কেউ। স্বপ্নের ক্যাম্পাস তাদের কাছে জেলখানা হয়ে ওঠে। তাই সকল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি র্যাাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে।
মো. আল আমিন হোসেন
শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
