মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা
মহেশপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর কিশোরী বধূর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ তার স্বামীপক্ষই মেয়েটিকে হত্যা করেছে। বুধবার সকালে ডাকাতিয়া গ্রামের কারবালার মাঠে একটি হলুদের খেত থেকে কিশোরী বধূ রিতুর গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
পরিবার ও থানা সূত্রে প্রকাশ, উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের আব্দুস সবুরের মেয়ে রিতু খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার পদ্মরাজপুর গ্রামের মোমিন তরফদারের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাগরের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। যৌতুকের দাবিতে গত ৩১ অক্টোবর শ্বশুর রিতুকে তার বাবার বাড়িতে রেখে যায়। আব্দুস সবুর ১ লাখ টাকা যৌতুক দিয়ে মেয়েকে শ্বশুরালয়ে পাঠায়। অভিযোগ উঠেছে, স্বামী ও তার পরিবার মিলে অমানসিক নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ গুম করে রিতুর বাবাকে খবর দেয় রিতু শ্বশুরবাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। মেয়েকে না পেয়ে গত ১ নভেম্বর মহেশপুর থানায় সাধারণ ডায়ারি করেন আব্দুস সবুর।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদুল আলম জানান, বুধবার সকালে সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত হত্যা মামলা হচ্ছে। নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
কোট চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিক হাসান বলেন, হত্যাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করা হবে।
