‘কম খরচে এখন সবাই গান করিয়ে নিতে চায়’

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ২০:২৪

দেশের গুণী সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৭ ও ২০১৮-এর তালিকা। যেখানে ২০১৭ সালের শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠ

২০১৭ সালের শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই বেশ আনন্দের একটি বিষয়। তবুও আপনার কাছ থেকে প্রতিক্রিয়াটা জানতে চাই—

পুরস্কার পেলে তো সবারই ভালো লাগে। আর এটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অনেক ভালোলাগার একটি বিষয়। সবার কাছ থেকে শুভেচ্ছা পাচ্ছি। এটি একদিকে যেমন কাজের স্পৃহা বাড়িয়ে দেয় তেমনি কাজের দায়িত্বও আরো বেড়ে যায়।

 

আপনার এখনকার কাজের ব্যস্ততা...

এখন বেশ কয়েকটি নাটকের কাজ ও থিম সং করলাম। পাশাপাশি ‘কালবেলা’ শিরোনামে একটি সিনেমার কাজ করেছি। এটি একাত্তরের ঘটনা নিয়ে নির্মিত একটি সিনেমা। আমার কাছে বিশেষ একটি কাজ এটি। কারণ গল্পটি মুক্তিযুদ্ধের। আর এই কাজটিতে আমি অনেকগুলো অ্যাকুয়েস্টিকের সংযোজন করেছি। এজন্য আমাকে কলকাতায় কাজটি করতে হয়েছে।

 

দেশের বাইরে থেকে কাজটি করানোর কারণ কী?

কারণ আমাদের দেশে অ্যাকুয়েস্টিক বাদকের অভাব রয়েছে। এর কারণ যারা বাদ্যযন্ত্র বাজায় আমাদের এখানে তাদের সামাজিক স্ট্যাটাস নেই। একজন গায়ক গান করে যা আয় করেন একজন মিউজিশিয়ান সেটা পারেন না। তাই এখন অনেকে শখে বাজান। কিন্তু পেশাদার কাজের সময় তাদের হয়তো পাওয়া যায় না।

 

একটি অডিও গান তৈরিতে বাজেট এখন অনেকে কমে গেছে। এটা গানের মানে কতটুকু প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন?

অনেকটাই প্রভাব ফেলছে। কম খরচে এখন সবাই গান করিয়ে নিতে চায়। একজনই কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। বাজেট কমে যাওয়ায় এখন একজনকেই সব করতে হয়। একটি ভালো গান নির্মাণে যে সময় ব্যয় হয় সেই বাজেট পাওয়া যায় না।

 

অনলাইন প্লাটফর্মে গান রিলিজ থেকে শিল্পীদের রেভিনিউ কতটুকু নিশ্চিত থাকছে মনে করেন?

অনলাইন থেকে রেভিনিউয়ের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় থাকে। সেগুলোর সঙ্গে আমরা সবাই এখনো পুরোপুরি অভ্যস্ত না। এটি হতে হয়তো একটু সময় লাগবে। ু