বিনোদন রিপোর্ট
বলা হয় এশিয়া মহাদেশে রক মিউজিকে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে। রকলিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর উত্তরসূরি হিসেবে সারাবিশ্বের এই বাংলা রকঘুড়ির সুতো ছড়িয়ে আছে। তাই বারেবার দেশে বা বিদেশে যে কোনো প্লাটফর্মেই এর প্রমান পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ছেলে রাহাদ ইসলাম পেশাগতভাবে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এর চাকরী পেয়ে সিঙ্গাপুরে যান। গিটারের প্রতি তার অদম্য নেশা থেকেই ব্যস্ত নগরীতের চাকরীর পাশাপাশিই একটু একটু করে গড়ে তোলেন ব্যান্ডদল ‘ড্রিমস অ্যারাইভড’।
বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এই দেশটিতে নিজেদের প্যাশন থেকেই এই ব্যান্ডটি গড়ে তুলেছেন রাহাদ। প্রায় ২০ জন মিউজিশিয়ান, কণ্ঠশিল্পীকে এক স্টেজে এনেছেন। পেনজুরু এলাকায় একটি প্র্যাকটিস প্যাড নিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজেদের ব্যান্ডদলের কার্যালয়। শুধু রাহাদ নয় অধিকাংশ বাংলাদেশী রক লাভার তরুণের বাইরে ইন্দোনেশিয়া, চায়না ও মালয়শিয়ান মিউজিশিয়ানও রয়েছে এই ড্রিমস অ্যারাইভড ব্যান্ড দলে। স্বপ্ন তাদের একটিই। সঙ্গীতের যেহেতু কোনো বর্ডার, ইমিগ্রেশন নেই। তাই সারা বিশ্বে বাংলা গানকে ছড়িয়ে দিতে চান। ড্রিমস অ্যারাইভড ব্যান্ডদলটিতে বাংলাদেশী মিউজিশিয়ানদের বাইরে অন্যান্য দেশের মিউজিশিয়ান থাকলেও তাদের মূল ভিত্তি রাখছেন বাংলা গান। এরই ভেতর বেশ কিছু বাংলা গানের কম্পোজিশন শেষ করেছেন। পারফর্ম করেছেন দেশের বেশ কটি কনসার্টে।
ব্যান্ডটি প্রসঙ্গে রাহাদ আরো বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছে ড্রিমস অ্যারাইভডকে এমনভাবে সাজানো যাতে, কারো কোনো ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতায় এর কার্যক্রম যাতে থমকে না থাকে। সেভাবেই একাধিক ব্যাকআপ মিউজিশিয়ানদের নিয়ে সাজানো হয়েছে এই ব্যান্ডদলটি।’ ড্রিমস অ্যারাইভড লালন, হাসনরাজা থেকে শুরু করে মহীনের ঘোড়াগুলি, এলআরবি, মাইলস, নগরবাউল ব্যান্ডদলের গান কাভার করা ছাড়াও নিজেদের কম্পোজিশনের গান পারফর্ম করছে নিয়মিত। ব্যান্ডটির প্রধান ভোকাল হিসেবে রয়েছেন রাহাদ ও মালয়শিয়ান গায়িকা যাদ্দু নেপি। ব্যান্ডটির বর্তমান লাইনআপ— রাহাদ ( গিটার ও ভোকাল ), ফারহান (গিটার ও ভোকাল), সোহেল ও বিল্লাল (ড্রামস), বেলাল (বেস), যাদ্দু নেপি (ভোকাল), সুমন (গিটার ও ভোকাল)। খুব শিগগিরই ব্যান্ডদলটি সিঙ্গাপুরের বাইওে ফিলিপিন, মালয়শিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার কনসার্ট টুর শেষ করে বাংলাদেশে পারফর্ম করতে আসবে।
