ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের কেন নবম ওয়েজ বোর্ড নয়

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২২:০৩

হাইকোর্টের রুল

ইত্তেফাক রিপোর্ট

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিসভা কমিটির তিনটি সুপারিশ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও কর্মীদের নবম ওয়েজ বোর্ডসহ পরবর্তী ওয়েজ বোর্ডগুলোর আওতায় আনার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। তথ্য সচিব ও শ্রম সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস এ রিট দায়ের করেন। এতে মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশ প্রজ্ঞাপনে থাকা অন্যান্য সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করা হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল ও নুরুল করিম।

তীর্থ সলিল পাল সাংবাদিকদের বলেন, নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে দ্বাদশ অধ্যায়ে মন্ত্রিসভা কমিটির তিনটি সুপারিশ রয়েছে। সেগুলো হলো সংবাদকর্মীরা আয়কর দেবেন, এক মাসের গ্র্যাচুইটি পাবেন ও নবম ওয়েজ বোর্ড পর্যায়ক্রম অনুসরণযোগ্য। অথচ প্রজ্ঞাপনে আছে সংবাদকর্মীরা দুটি গ্র্যাচুইটি পাবেন। এ সুপারিশ গেজেটে থাকা সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ছাড়া পঞ্চম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে করা মামলার রায়ে এসেছে, সংবাদকর্মীদের আয়কর দেবেন সংবাদপত্রের মালিক। তাই মন্ত্রিসভার ঐ সুপারিশ আইন সমর্থন করে না। এমনকি কাউকে একবার কোনো অধিকার দেওয়া হলে আইন অনুসারে তা খর্ব করা যায় না। তিনি আরো বলেন, শ্রম বিধিমালায় গণমাধ্যমের ব্যাখ্যায় ইলেকট্রনিক মিডিয়াও আছে। তাই তাদের ওয়েজ বোর্ডের আওতায় আনার নির্দেশনাও চাওয়া হয় রিটে।