আমি যখন দূরে যাই, নদী কিংবা নিসর্গে,
ছায়াচ্ছন্ন স্বপ্নে
কথা বলে লক্ষ্মীর ঝাঁপি।
সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে থাকি
কথা হয় অনর্গল; কিন্তু খুঁজে পাই না তোমাকে।
মিছিলে তোমার লাবণ্যময় মুখ
আর অধিকারের দাবিতে উত্তোলিত হাত
ছন্দে
বাজতে বাজতে থেমে গেল।
তোমাকে নিয়ে সে রকম দুপুর
আর হলো না।
সেদিন ১০ নভেম্বর, উদোম শরীরে
পুলিশের গুলিতে শূন্য চত্বরে
নূর হোসেন নিহত হয়েছিল।
তুমিই বলো হে বন্ধু আমার
সংঘর্ষে
বিষণ্নতায়
বিপর্যয়ে
প্রণয়ের স্পর্শে
জলদগম্ভীর নির্ঘোষে
কত না মিছিলের স্মৃতি মথিত করে হূদয়।
ক্ষুদ্র ও বৃহত্ অলিগলিতে
এখন শোকের দৃশ্য।
অলীক মায়ায়
অসুন্দরও হয়ে ওঠে গৌরবময়।
মর্মে থাকে নাটকীয় মুহূর্ত;
দীপেন্দ্রনাথের হওয়া না হওয়া
পাথরের স্মৃতিসৌধে আশ্রয় খোঁজে
বুকটা একবার ওঠে; একবার নামে
মানুষেরা মুখ লুকিয়ে থাকে মুখোশে
