বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাস নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান জানান তারা। বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়ার পর নিজেদের অবস্থান জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনের পরে গতকাল বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত বুয়েটের প্রশাসনিক মিটিংয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল ছিল। প্রশাসনিক মিটিংয়ে নিজেদের দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। এছাড়া চার্জশিট দ্রুত ট্রাইব্যুনালের কাছে হস্তান্তর করার দাবিও জানান শিক্ষার্থীরা। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তি চান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, সর্বশেষ ২ নভেম্বরের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তিনটি দাবি জানান তারা। তিনটি পয়েন্ট হলো; চার্জশিটের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা; আহসান উল্লাহ হল, তিতুমীর হল ও সোহরাওয়ার্দী হলের র্যাগের ঘটনায় জড়িতদের অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া; সাংগাঠনিক রাজনীতি ও র্যাগের জন্য সুস্পষ্টভাবে ক্যাটাগরি ভাগ করে শাস্তির নীতিমালা করা এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে অনুমোদন করে অর্ডিন্যান্সে অন্তর্ভুক্ত করা। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, আমাদের দাবিগুলোর মধ্যে ১ ও ২ পূরণ হলে আমরা মিডটার্ম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। ফাইনালের সাত দিন আগে ৩ নম্বর দাবি পূরণ হলে আমরা পরীক্ষায় বসব। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
