চাপ বাড়াচ্ছেন আগারওয়ালরা

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ২১:০৯

এমনিতেই বাংলাদেশ কম চাপে নেই। নিজেরা অলআউট হয়েছিল ১৫০ রানে। জবাবে ভারত দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৪৯৩ রান করে ফেলেছে। মানে, তারা ৩৪৩ রানে এগিয়ে আছে। এই চাপটাও যথেষ্ঠ মনে করছেন না ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মায়াঙ্ক আগারওয়াল। তিনি বলছেন, বাংলাদেশকে আরো যত বেশি চাপে ফেলা যায়, সেই চেষ্টা করবেন তারা।

কখন ইনিংস ঘোষণা করা হবে, সে ব্যাপারে কোনো ধারণা দিলেন না আগারওয়াল। তিনি বললেন, আরো চাপ তৈরি করাই তাদের উদ্দেশ্য, ‘আমরা এখনো ইনিংস ঘোষণা নিয়ে ভাবিনি। এখন আমরা যেভাবে খেলছি, তাতে আমরাই ম্যাচে চালকের অবস্থানে আছি। আমরা তাদের অনেক চাপে ফেলতে চাই।’

শুরুতে আগারওয়ালের ক্যাচ পড়েছিল। সেখান থেকে নিজেকে সেরা পারফরমার করে তুলেছেন। আগারওয়াল বলছেন, তার বদলে যাওয়া মানসিকতা তাকে সফল করেছে, ‘মনোভাবের কথা বললে, ব্যর্থতার যে ভয়, সেটাকে ঝেড়ে ফেলতে পারায় আমার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সেটার পর থেকে আমি রানের জন্য আরো ক্ষুধার্ত হয়েছি। অনেক সময় আছে, যখন আমি রান করতে পারি না। কিন্তু যখন আমি সেট হই, চেষ্টা করি সেটাকে বড়ো স্কোরে পরিণত করতে। অবশ্যই ভারতীয় দলের সঙ্গে আমার এ পর্যন্ত পথচলা আমি খুব উপভোগ করছি।’

টেস্ট ক্রিকেটে আগারওয়ালের অভিষেক হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই ম্যাচের কথা মনে করে এই তরুণ ওপেনার বলছিলেন, ‘মেলবোর্নে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলাটা বিশেষ একটা ব্যাপার ছিল। সে সময় দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরেছিলাম। আর অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের প্রথম সিরিজ জয়টা একটা অসাধারণ অনুভূতির ব্যাপার ছিল। ঐ অনুভূতিটাই এমন যে ওটা আমাকে চালিয়ে নিয়ে যায়। আমি ওরকমভাবে খেলে যেতে চাই এবং দলের হয়ে জিততে চাই।’

গতকালের ইনিংসটা সম্পর্কে আগারওয়াল বলছিলেন, এই ইনিংসে তাকে রাহানে খুব সহায়তা করছিলেন, ‘ব্যাপারটা হলো, একসময় একটা বল নিয়েই ভাবা এবং সেটা খেলা। সে (আজিঙ্কা রাহানে) একজন সিনিয়র খেলোয়াড়। সে অনেক টেস্ট ক্রিকেট খেলেছে। সে আমাকে দারুণভাবে গাইড করেছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ছোটো ছোটো জুটি করে এগোনো এবং সময় কাটানো। সতর্কতার সঙ্গে এরপর যতটা সম্ভব রান আরো আরো বাড়িয়ে নেওয়া যায়।’

এ ছাড়া উইকেটে বল ভালো দেখতে পাচ্ছিলেন বলে বললেন এই ওপেনার, ‘আমি নিজে নিজেকে শক্তি জুগিয়েছি। বল ভালো দেখছিলাম এবং ভালো বুঝতে পারছিলাম। উইকেটে একটু বাউন্স আছে। যে বলটাকেই আমার নাগালে মনে হয়েছে, সেটার ওপর চড়াও হয়েছি।’