হাজারতম ম্যাচে ইংল্যান্ডের গোলবন্যা

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ২১:১৪

ইংল্যান্ড নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের হাজারতম ম্যাচটা গোল-উত্সব দিয়েই রাঙাল। গত বৃহস্পতিবার ইউরো বাছাইপর্বে নিজেদের মাঠে এদিন নায়ক ছিলেন হ্যারি কেইন। অধিনায়কের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে মন্টেনেগ্রোকে ৭-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। এর ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ইউরো ২০২০ নিশ্চিত করেছে কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের দল।

দিনের অন্য ম্যাচে মলদোভার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে হারের শঙ্কাই জেগেছিল ফ্রান্স শিবিরে। তবে অলিভিয়ের জিরুর জোড়া গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তারা।

ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে দারুণ উদ্দীপনা নিয়েই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড, যার ফলটা মন্টেনেগ্রো টের পেল হাড়ে হাড়েই। প্রথমার্ধেই হ্যারি কেইনের হ্যাটট্রিক আর অ্যালেক্স অক্সলেইড চেম্বারলিন-মার্কাস র্যাশফোর্ডের লক্ষ্যভেদে ৫ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকেরা। বিরতির পর আলেক্সান্দার সোফ্রান্যাকের আত্মঘাতী গোলের পর ইংল্যান্ডের চেলসি ফরোয়ার্ড ট্যামি আব্রাহাম লক্ষ্যভেদ করলে বড়ো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সাউথগেটের শিষ্যরা।

এই ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ফলে চলতি ইউরো বাছাইপর্বে কেইনের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১১-তে। ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও ষষ্ঠ অবস্থানে চলে এসেছেন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড। ম্যাচের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানালেন, হাজারতম ম্যাচটা বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবেই কাজ করছিল দলের ভেতরে, ‘আমরা ১ হাজারতম ম্যাচে একটা বড়ো কিছু করতে চেয়েছিলাম। প্রথমার্ধেই ৫ গোল করে সেটা করতে পেরেছি বলেই মনে করি আমি।’

এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপের সেরা দল হিসেবেই ইউরো নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। বাছাইপর্বের সাত ম্যাচে ৩৩ গোল করায় ইতিমধ্যে প্রতিযোগিতাটির অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ধরা হচ্ছে তাদের। গ্রুপটির অন্য ম্যাচে কসভোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতেছে চেক প্রজাতন্ত্র। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখে তারাও নিশ্চিত করেছে ইউরোয় উত্তরণ।

প্রতিযোগিতার এইচ গ্রুপে মাঠে নামার আগেই ফ্রান্সের ইউরোয় খেলা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। দিনের অন্য ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে তুরস্ক ইউরোয় খেলা নিশ্চিত করাতেই এমনটা হয়েছিল।

এমন স্বস্তি কিনা কাল হয়ে দাঁড়াল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য! ম্যাচের নবম মিনিটেই ভাদিম রাতার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মলদোভা। বিরতির ১০ মিনিট আগে রাফায়েল ভারানের লক্ষ্যভেদে সমতা ফেরায় ফ্রান্স। তবে তাতে মিশে ছিল মলদোভা কোচ আর খেলোয়াড়দের তীব্র প্রতিবাদ। অলিভিয়ের জিরু ফাউল করেছিলেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে, সেই বিল্ডআপ থেকেই গোলটি পায় ফ্রান্স। বিরতির পর সেই জিরুই পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কোচ দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।