হ-য-ব-র-ল

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২০:৪৭

 

শিপলু বলে টিপলুরে—

v —টিপলু, দেখলি এটা কী হলো বেচারা ট্রাফিক পুলিশ আউটসাইডে হাত বাড়িয়ে সিগন্যাল দিচ্ছিল আর এক রিকশাওয়ালা ৫ টাকা তার হাতে দিয়ে চলে যায়, পুলিশও দেখি সেটা পকেটে ঢুকিয়ে ফেলে।

—আসলে কী আর করবি। বুঝতে হবে রিকশাওয়ালা ওর থেকে বড়ো তাই দয়া করেছে।

 

v —টিপলু, শুনলি সেইদিন একটা কান আস্ত একটা চিলকে উড়ায় নিয়ে যাচ্ছে ।

—কী বলিস! তো কান টাকে মেরে চিলটাকে উদ্ধার করেছে?

—ততটুকু জানি না। যতটুকু শুনেছি বললাম।

 

v —টিপলু, আচ্ছা বনের রাজা সিংহ হলে, সেই রাজা কি ঘাস-লতাপাতা খেয়ে বাঁচে?

—রাজা চাইলে অন্ধকারে সব খাইতে পারে। তবে ধরা খাইলে সাত খুনও মাফ। কারণ সে তো রাজা।

 

v —টিপলু, বাজারে গিয়েছিলাম সুখ কিনতে। সুখের দাম বেশি।

—তো কী করলি?

—কী আর করব। বিড়িতে ফুক মারতে মারতে চলে এলাম।

 

v —টিপলু, আমার নামটা কিভাবে আলোকিত করব?

—এটা তো সহজ। একটা কাগজে তোর নামটা লিখে লাইটের নিচে রেখে দে।

 

v —টিপলু, চল ঘুরতে যাব।

—কোথায় যাবি?

—যেখানে অনেক সুখ আর শান্তি আছে।

—অপেক্ষা কর রাতে ঘুম আসলে স্বপ্নের মধ্যে যাইস।

 

v —টিপলু, এক জেলের কাছে গেলাম জাল কিনতে। শর্ত ছিল জালে শুধু চুনোপুঁটি ধরা পড়বে, রাঘববোয়াল ধরা পড়বে না।

—তারপর কী হলো?

—জেলে বলল, এর জন্য নাকি দেশের কয়েকটি সেক্টর ভালো কাজ করছে। তাদের কাছে যেতাম।

—বুঝতে পারলাম জেলে শিক্ষিত।

 

v —টিপলু, পৃথিবীতে সবাই শান্তি চায়। আচ্ছা তবে পারমাণবিক বোমাগুলো কেন বানানো হয়?

—আরে সে আর কি! ওগুলো বানানো হয় মানুষকে সুরসুরি দিয়ে হাসাতে।

 

v —টিপলু, জানিস দেশের অনেক উন্নয়ন হচ্ছে।

—কীভাবে?

—কোনো দপ্তরে এখন আর ঘুষ নেই না। খুশি করে চা-পানির জন্য দিতে হয়। তবে পাঁচশর জায়গায় একশ চলে না।

—বুঝেছি চায়ের দাম অনেক বেশি।

 

v —টিপলু, সেদিন ঠাট্টায় লেখা পড়ে এক লোকে বলল, ‘ভাই কেমনে পারেন!’

—তো, তুই কী বললি?

—বলার আর কি সুযোগ থাকে! নিজের প্রশংসা শুনে বাতাসে ফুলে আকাশে উড়ে গেলাম।

ঠিকানাবিহীন