জমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ শুরু
জবি সংবাদদাতা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেরানীগঞ্জের নতুন ক্যাম্পাস হবে অত্যাধুনিক ও বিশ্বমানের। ১৮৮ একর জমিতে ১৩টি হল এবং ৯টি ফ্যাকাল্টি বিল্ডিং, উপাচার্য ভবন, রেসিডেন্সিয়াল ও কোষাধ্যক্ষ ভবনসহ সবকিছু নতুন ক্যাম্পাসে করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সব অবকাঠামো এলাকাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখেই নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। গত শনিবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমদি মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের নিমিত্তে জমি প্রদানের জন্য এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আমাদের বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট চলছে। এর অর্ধেক টাকা দিয়ে জমি আর অর্ধেক টাকা দিয়ে লেক খনন, ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা, পানি, ইলেকট্রিসিটি এবং ওয়াল নির্মাণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, কেরানীগঞ্জ এলাকাটি দীর্ঘদিন যাবত্ অবহেলিত ছিল, উন্নয়ন ছিল ধীর গতির। কেরানীগঞ্জের অন্যতম সমস্যা ছিল বিদ্যুত্, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত। তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস কেরানীগঞ্জে হওয়ায় অত্র এলাকাবাসীর গর্বিত হওয়া উচিত।
এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. দীপিকা রানি সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা জেলার প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বক্তব্য প্রদান করেন। ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. ইমরুল হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) তানভীর আহমেদ, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) আজিম উদ্দিন এবং কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ।
