পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন ঝিনাইদহের চাষিরা

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৩৮

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

বাজারে এবার পেঁয়াজের দাম অস্বাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ঝিনাইদহের চাষিরা পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে পশ্চিমের ছয় জেলায় চলতি রবি মৌসুমে ৩০ হাজার ৪০৩ হেক্টরে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার যশোর জেলায় দেড় হাজার হেক্টরে, ঝিনাইদহ জেলায় ৯ হাজার ২০ হেক্টরে, মাগুরা জেলায় ৬ হাজার ৫২০ হেক্টরে, মেহেরপুর জেলায় দেড় হাজার হেক্টরে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৬১৩ হেক্টরে ও কুষ্টিয়া জেলায় ১১ হাজার ২৫০ হেক্টরে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। আর উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার ৯৩০ টন। 

চাষিরা জানান, এবার ঘূর্ণি ঝড় বুলবুলের কারণে বৃষ্টি হওয়ায় পেঁয়াজ চাষ নাবি হবে। জমিতে ‘জো’ না হওয়ায় এখনো অনেক চাষি বীজতলা তৈরি করতে পারেনি।  বৃষ্টির আগে যারা বীজতলা তৈরি করেছে তাদের চারা  বড়ো হয়ে গেছে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে চারা রোপণ শুরু হবে। ঝিনাইদহের শৈলকুপার মনোহরপুর গ্রামের চাষি মাসুদ হাসান পান্না জানান, এবার তিনি ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করবেন। তার বীজতলায় চারা বড়ো হয়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যে রোপণ শুরু করবেন।

একই উপজেলার হাজরামিনা গ্রামের চাষি তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, গত মৌসুমে তিনি ১৮ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে ১১০০ মণ পেঁয়াজ পেয়েছিলেন। ভালো লাভ পেয়েছেন। এবার চাষ বাড়াবেন।  

মেহরেপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের চাষি জিয়াউর রহমান জানান, গত বছর তিনি এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে ১২০ মন পেঁয়াজ পেয়েছিলেন।  মাত্র ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছিলেন। এখন ১ কেজির দামের সমান। এবার দেড় বিঘাতে চাষ করেছেন। তাদের এলাকায় অধিকাংশ চাষির চাষ শেষ হয়েছে।

 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার  জানান, চাষিদের পেঁয়াজ চাষে উত্সাহিত করা হচ্ছে। কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।