সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে। অভিযানের দ্বিতীয় দিন গতকাল বিআরটিএ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর ছয়টি স্পটে সাত আদালতের মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ পরিবহনগুলোকে ১ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেছে। এতদিন রাজধানীতে অভিযানে সরকারি সংস্থার কোনো যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করার দৃশ্য চোখে পড়েনি—সাংবাদিকরা এমন অভিযোগ সামনে তুলে ধরায় গতকাল বিআরটিসির বাস থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ সাদিয়া তাজনীন।
সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল থেকেই একে একে বেসরকারি বাস, ট্রাক মোটরসাইকেলের কাগজপত্র পরীক্ষা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় কয়েক জন পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানতে চান, বিআরটিসির বাস ধরা হয় না কেন? বিআরটিসি বাস কেন ধরা হচ্ছে না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ বলেন, আমরা সব ধরনের পরিবহনের কাগজপত্র দেখছি। এখানে কোনো বিভেদ নেই।
বিআরটিসির বাস কেন থামানো হচ্ছে না—জানতে চাইলে কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট জানান, ম্যাজিস্ট্রেট স্যার নির্দেশ না দিলে আমি পারব না। এর কিছুক্ষণ পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ পেয়ে মোহাম্মদপুর থেকে কুড়িল রুটে চলাচলকারী বিআরটিসির একটি দোতলা বাস থামানো হয়। ট্রাফিক সার্জেন্ট এ সময় কাগজপত্র চাইলে মামলার একটি কাগজ বের করে দেখান বাসের চালক। এরপর তিনি কাগজপত্রসহ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যান। ম্যাজিস্ট্রেট দেখতে পান যে, আগের মামলাটি লাইসেন্সের। সেটার জরিমানাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাইসেন্স তোলা হয়নি। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট চালককে বলেন, এভাবে লাইসেন্স ছাড়া আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন না।
