এসএ গেমস ফুটবলে ভারত খেলবে না শুনে অবাক হননি বাংলাদেশ ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ভারত উপমহাদেশের শক্তিশালী দল। এসএ গেমস কিংবা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলের এ দুটি মঞ্চ নিয়ে ভাবে না ভারত। তারা আরো ওপরের টুর্নামেন্ট নিয়ে চিন্তা করে। ২০১০ সালে যখন ঢাকায় এসএ গেমস হয় তখন শক্তিশালী দল পাঠায়নি ভারত। আর এবার এসএ গেমস ফুটবলে ভারত দলই পাঠাবে না।
বাংলাদেশ কোচ জেমি ডের কাছে প্রশ্ন তুলল সংবাদ মাধ্যম। ভারত না থাকায় বাংলাদেশের পথটা খুব সহজ যাওয়া কিনা। এটা উড়িয়ে দিয়েছেন জেমি ডে। কোচ মনে করছেন ভারত নেই তো কী হয়েছে অন্যরা তো আছে।
গতকাল দুপুরে বাফুফে ভবনে জাতীয় দল নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন কোচ। বেরিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে দেখা হওয়ায় ক্ষাণিকটা সময় থামতে হয় জেমিকে। হাসতে হাসতে বলছিলেন, ‘হ্যাঁ আমিও শুনেছি ভারত নেই। দেখুন ভারত নেই বলে আপনি সরাসরি ফাইনাল খেলবেন বিষয়টা এমন নয়। ভারত ছাড়াও এ উপমহাদেশে শক্তিশালী দল রয়েছে। ভারত ছাড়া আর যেসব প্রতিপক্ষ রয়েছে তারাও কম শক্তির নয়।’ জেমি বলেন, ‘কেউ খেলল কি খেলল না সেটা আমাদের বিষয় নয়।’ এসএ গেমস ফুটবলে বাংলাদেশের লক্ষ্য কী তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেমি বলেন, ‘প্রথম টার্গেট হচ্ছে ফাইনাল খেলা।’
বাংলাদেশ ৯৯ সালে কাঠমান্ডুতে সাফ গেমস ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১০ সালে ঢাকায় এসএ গেমস ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।
আজ এসএ গেমস ফুটবলের প্রস্তুতি শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে ২০ ফুটবলারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে সিনিয়র ফুটবলার হলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া, জাতীয় দলের আরো দুই ফুটবলার হলেন স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন এবং ইয়াসিন খান। অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল গেমস ফুটবলে খেলবে। যেখানে তিন জন সিনিয়র ফুটবলার খেলানোর সুযোগ থাকে, সেই কোটায় জামাল, জীবন, ইয়াসিনদের নেওয়া হয়েছে।
২৬ নভেম্বর নেপাল যাওয়ার কথা রয়েছে ফুটবল দলের। তার আগের দিন শেখ রাসেলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। কোচ বলেছেন, এসএ গেমসের জন্য যে দলটি গড়া হয়েছে সেটি ভালো দল হবে। আমরা মনে করছি ভালো রেজাল্ট নিয়ে ফিরব।’ ১-১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এসএ গেমস।
এসএ গেমসে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন—তিন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো, পাপ্পু হোসেন, মাহফুজ হাসান প্রীতম। রক্ষণে বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, টুটুল হোসেন বাদশা, রিয়াদুল হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, সুশান্ত ত্রিপুরা। আক্রমণভাগে—জামাল ভুঁইয়া, বিপলু আহমেদ, রবিউল হাসান, আলআমিন, মাহবুবুর রহমান সুফিল, সাদ উদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন, রাকিব হোসেন, আরিফুর রহমান ও ইব্রাহিম।
