ঝিনাইগাতী সীমান্ত

হাতি তাড়ানো সোলার ফেনসিং অচল

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ২১:২৬

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হাতি তাড়ানো সোলার ফেনসিং (বৈদ্যুতিক তারের বেড়া) কোনোই কাজে আসছে না গ্রামবাসীর। ফলে থেকেই গেল গ্রামবাসীর দুঃখ আর দুর্দশা। গত প্রায় দুই যুগ ধরে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি গ্রামগুলোতে শুরু হয় বন্য হাতির তাণ্ডব।

বন্য হাতির কবল থেকে জানমাল রক্ষার্থে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এলাকায় বিদ্যুত্ সংযোগসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয়। এ দাবির প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক চান ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে উপজেলার সীমান্তে হাতিকবলিত পাহাড়ি গ্রামগুলোতে সোলার ফেনসিং (বৈদ্যুতিক তারের বেড়া) স্থাপন কাজ হতে নেন। যা দিয়ে হাতি আক্রান্ত হবে; কিন্তু মারা যাবে না। উপজেলার গারো পাহাড়ের ১৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ সোলার ফেনসিং স্থাপিত হয়।

বনবিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিতে এ কাজটি সম্পন্ন করা হয়। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক এ সোলার ফেনসিংয়ের কাজটি করা হয়।

কাংশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল হক, ইউপি সদস্য হযরত আলীসহ গ্রামবাসী জানান, ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করায় ও তা সংরক্ষণের অভাবে স্থাপনকৃত সোলার ফেনসিং কোনোই কাজে আসছে না গ্রামবাসীর। এতে গ্রামবাসীর জানমাল রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে গচ্ছা দিতে হলো সরকারের কোটি টাকা। বর্তমানে সোলার ফেনসিং অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

শেরপুরের বন্যপ্রাণী বিভাগের বিট কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ বলেন, গ্রামবাসীর অসচেনতা গরু-ছাগলের পদচারণায় রোপণকৃত বৃক্ষ ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, সোলার ফেনসিং সচল করতে বনবিভাগের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক চান বলেন, অকেজো সোলার সেনসিং সচল ও বাকি এলাকাগুলোতে সোলার ফেনসিংয়ের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।