দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড গত রবিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শেফিল্ড ইউনাইটেডের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও ব্যর্থ হলো। ৭২ থেকে ৭৯ মিনিটে তিন গোল করার পর শেষ সময়ে গোল হজম করে বসে দলটি। তাতে ৩-৩ গোলের ড্রয়ে এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রেড ডেভিলদের। কোচ ওলে গুনার সোলসার অবশ্য ম্যাচটিকে ‘মূল্যবান শিক্ষা’ হিসেবেই দেখলেন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এদিনের আগে ১৩ ম্যাচে চার জয় ও সমান সংখ্যক ড্র নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় ১০ম স্থানে থাকায় চাপ বাড়ছিল কোচ সোলসারের ওপর। তার ওপর গত রবিবার এ খেলাটিতে ৫২ মিনিটেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল।
তার পরও শেষদিকে সাত মিনিটে যে আধিপত্য নিয়ে খেলেছে রেড ডেভিলরা, তা পাঁড় নিরাশাবাদী ইউনাইটেড সমর্থকের বুকেও আশাবাদ সঞ্চার করানোর জন্য যথেষ্ট। ব্রেন্ডন উইলিয়ামস, ম্যাসন গ্রিনউড আর মার্কাস র্যাশফোর্ডের গোলে এগিয়েই যায় সোলসারের দল। তবে যোগ করা সময়ে শেফিল্ড ফরোয়ার্ড ওলি ম্যাকবার্নি গোল করলে আশাভঙ্গ হয় সফরকারী ইউনাইটেডের।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও পাওয়া এই ড্রয়ে ইউনাইটেড কোচ দলের মানসিকতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘দলটা কখনো হাল ছাড়ে না। গত বছরের দলটা থেকে এটা অনেক ব্যতিক্রম। এই ম্যাচটা আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে আমরা পারফরম করতে না পারলেও তিন গোল করতে পারি।’
তিনি আরো যোগ করলেন, ‘দুই গোলে পিছিয়ে পড়লে আপনি সবচেয়ে খারাপ কিছুরই ভয় পাবেন। কিন্তু এই দলটা হাল ছাড়তে জানে না। আমরা দারুণ কাজ করেছি এবং আজ অনেক কিছু শিখেছি।’
সোলসার আরো জানালেন ম্যাচের ইতিবাচক দিকটাকেই বড়ো করে দেখছে তার দল, ‘যদিও আজকের ম্যাচের বড়ো অংশই ছিল নেতিবাচক, যার কারণে আমরা হতাশও; তবুও ইতিবাচক অনুভূতিটা একে ছাপিয়ে যাচ্ছে। আমরা লেগে থাকার জন্য যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছি এবং ম্যাচের ফলটা বদলে দিয়েছি এটাই এর কারণ।’
তরুণ খেলোয়াড়রা শেফিল্ডের বিপক্ষে ৯০ মিনিটে বড়ো শিক্ষাই পেয়েছে, ধারণা ইউনাইটেড কোচের। সোলসারের ভাষ্য, ‘তারা একাডেমি থেকে উঠে এসেছে। আর সেখানে আপনি এমন ম্যাচ খেলতে পারবেন না। আমরা তাদের ভয়ডরহীন খেলার জন্য শিক্ষা দেই, তবে আমি মনে করি এই ম্যাচে মূল্যবান শিক্ষাই পেয়েছে তারা।’
