কর আহরণে হয়রানি বন্ধের আহ্বান ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৩৯

১৩ সংখ্যার ভ্যাট নিবন্ধনের সময়সীমা ফের বাড়ানোর দাবি

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

কর প্রদান প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, রাজস্ব কাঠামো বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব হলে কর প্রদানের প্রবণতা বাড়বে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে নতুন পদ্ধতির ভ্যাট নিবন্ধন বিষয়ে এক কর্মশালায় ব্যবসায়ী নেতারা এসব কথা বলেন। অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন বা ই-বিআইএন বিষয়ে পুরোনো ঢাকাকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের সচেতন করার লক্ষ্যে ঐ কর্মশালার আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীরের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মুশফিকুর রহমান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, তারা কর দিতে আগ্রহী। তবে এ সংক্রান্ত নীতিমালা সহজ ও সংস্কার করা দরকার। এ সময় ব্যবসায়ী নেতারা মাঠ পর্যায়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরে তা বন্ধের দাবি জানান। ডিসিসিআই সভাপতি করদাতাদের হয়রানি না করে কর সংগ্রহ করা ও সব ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের অনুপাতে ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানান। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিমাসে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা কঠিন। এটি প্রতি তিন মাসে কিংবা প্রতি ছয় মাসে একবার দাখিলের ব্যবস্থা করা দরকার। তিনি বলেন, রাজস্ব কাঠামো ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর প্রদানের প্রবণতা বাড়বে।

পুরোনো ঢাকার ব্যবসায়ী নেতা ও ডিসিসিআইর সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সালাম নতুন ই-বিআইএন বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আরো সচেতন করতে উদ্যোগ নিতে এনবিআরের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার সময়সীমা আগামী ৩০ নভেম্বরের পর ফের বাড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।

অবশ্য পুরোনো নিবন্ধনে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালানোর সময়সীমা আর না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন সৈয়দ মুশফিকুর রহমান। তিনি ব্যবসায়ীদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এরপর আমদানি-রপ্তানি করতে নতুন ভ্যাট নিবন্ধন থাকতে হবে। অন্যথায় আমদানি-রপ্তানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলা যাবে না।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, ডিসিসিআই সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক হোসেন এ সিকদার, খন্দকার রাশেদুল আহসান, ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এহসান প্রমুখ।