ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুকৌশলে তামাকজাত দ্রব্যের আগ্রাসি প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন পরিপন্থি। তবে তামাক কোম্পানিগুলো দেশের সম্ভাবনাময় যুবসমাজকে তাদের বাণিজ্যের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার উদ্দেশ্যে এসব কাজ করছে। গতকাল এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই আগ্রাসি প্রচারণা বন্ধ করার জন্য প্রশাসন, শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ নেটওয়ার্ক (বিটিসিআরএন) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি)-এর সহযোগিতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (এনএসইউ) ‘টোব্যাকো নিয়ন্ত্রণ-সম্পর্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক লেকচার প্রোগ্রাম’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রীনা পারভীন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাক্তন মহাপরিচালক এবং বিসিসিপি/বিটিসিআরএনএর প্রবীণ উপদেষ্টা প্রফেসর শাহ মনির হোসেন, বিটিসিআরএন এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
বিটিসিআরএনের সভাপতি অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন সংস্থার উদ্দেশ্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য ও জীব বিজ্ঞান বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. গিয়াস ইউ আহসান । স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী (যুগ্মসচিব) মো. খায়রুল আলম শেখ, প্রজ্ঞার তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান মো. হাসান শাহরিয়ার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিসিসিপির পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিসিসিপির সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম) মোহাম্মদ শামিমুল ইসলাম।
মো. খায়রুল আলম শেখ বলেন, দেশে প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ মারা যায়, ১২ লাখ লোক আটটি অসংক্রামক রোগে (এনসিডি) আক্রান্ত হয় এবং ৪ লাখ লোকের বিরূপ প্রভাবের কারণে অক্ষম হয়ে পড়ে।
