বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

হলি আর্টিজান মামলার রায় ও জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:১২

এ কে এম শহীদুল হক

হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। চার্জশিটভুক্ত আট আসামির মধ্যে সাত জনের ফাঁসি এবং এক জনের খালাসের আদেশ প্রদান করেছে আদালত। প্রায় সাড়ে তিন বছরের মধ্যে তদন্ত ও বিচারকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ দুই বছরের মধ্যে ঘটনায় জড়িত জঙ্গিদের শনাক্ত করে সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে আট জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল। নিঃসন্দেহে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। পুলিশ শুধু আসামি শনাক্ত করে নাই, জঙ্গিদের গ্রেফতারও করতে সক্ষম হয়েছে। তদন্তে এটা উদ্ঘাটিত হয়েছিল যে, ঘটনায় ২১ জন জঙ্গি জড়িত ছিল। কেউ পরিকল্পনায়, কেউ প্রশিক্ষণে, কেউ অস্ত্র ও বোমা সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্বে ছিল। ২০১৬ সালের ১ জুলাই ছিল একটি বিভীষিকাময় রজনি। জঙ্গিরা ঐ দিন রাতের প্রথম দিকে (৯টা/সাড়ে ৯টার সময়) গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে দেশি ও বিদেশি ২০ জনকে তাত্ক্ষণিকভাবে হত্যা করে। পুলিশ খবর পেয়ে ৮/১০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে যায় এবং জঙ্গিদের ঘেরাও করে ফেলে। জঙ্গিরা পুলিশের ওপর বোমা নিক্ষেপ করলে দুই জন পুলিশ অফিসার সিনিয়র এসি রবিউল এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন গুরুতরভাবে আহত হন। তাদেরকে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাদের মৃত্য হয়। ঐ জঙ্গি হামলায় মোট ২২ জন নিহত হয়।

আমি তখন পুলিশপ্রধান। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় মসজিদে তারাবি নামাজ শেষ করা মাত্রই ঘটনা জানতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে আমি গুলশানে যাই। পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি জানান, জঙ্গিরা ভেতর থেকে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর বোমা মেরেছে। অনেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তাদেরকে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কমিশনার আমাকে বলেন, ‘স্যার, আপনি হাসপাতাল হয়ে এলে ভালো হয়।’

আমি ইউনাইটেড হাসপাতালে যাই। ঢুকেই দেখি, বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিনকে হাসপাতালের একটি বেডে শোয়ানো অবস্থায় রাখা হয়েছে। নিশ্চল দেহ। একজন ডাক্তার বললেন, ‘He is expired’—মারা গেছে। কথাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমার মনটা কেঁপে উঠল। ক্ষণিকের জন্য মনে হলো আমি মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছি। শক্ত হলাম। সালাউদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ একজন সাহসী অফিসার ছিলেন। ২০১৩-২০১৫ সময়ে ওসি মিরপুর হিসেবে বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে তথা আগুন-সন্ত্রাস অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছিলেন। দায়িত্ববোধের কারণেই তিনি নিজ অধিক্ষেত্র ছেড়ে গুলশানে এসে মৃত্যুর যাত্রী হলেন। রবিউল ও সালাউদ্দিনের এ আত্মত্যাগ দেশ ও জনগণের জন্য। তাদের স্মৃতির প্রতি রইল অশেষ শ্রদ্ধা।

জরুরি বিভাগে আরেকটি বেডে সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার রবিউলের চিকিত্সা চলছে। ডাক্তার নার্স তার পাশে আছে। তার শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। শ্বাসপ্রশ্বাস স্টাবল হচ্ছে না। খুব কষ্ট পাচ্ছিল। আমি একজন ডাক্তারকে বললাম,   ‘জরুরিভাবে একটা অ্যাম্বুলেন্স রেডি করেন। তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাব।’ ডাক্তার বললেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স ও ড্রাইভার রেডি আছে। একটু স্টাবল হলেই তাকে নেওয়া যাবে।’ আমি সিএমএইচের একজন ব্রিগেডিয়ারের সঙ্গেও কথা বললাম। তাকে ব্যবস্থা রাখতে অনুরোধ করলাম। তিনি জানালেন, কোনো সমস্যা নেই। তারা সবকিছু প্রস্তুত রেখেছেন। আমি ডিসিকে (ট্রাফিক) বারিধারা ডিওএইচএস থেকে সিএমএইচ রাস্তা ফ্রি রাখার নির্দেশ দিলাম। রোগীকে এক টানে সিএমএইচে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু রোগী একেবারেই স্টাবল হচ্ছে না। একে একে আরো কয়েকজন আহত পুলিশ অফিসার ও সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলো। আমি কর্তব্যরত ডাক্তারকে বললাম, ‘আপনার ম্যানেজমেন্টকে বলেন, সব ডাক্তার ও নার্সকে হাসপাতালে উপস্থিত রাখতে। সব আহতকে তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা দিতে হবে।’ আহতদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মারুফ, এডিসি গুলশান আহাদসহ আরো অনেকে ছিলেন।

আমি এসি রবিউলের অবস্থা এবং অন্য আহতদের সম্বন্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করি। তিনি গুরুতর আহতদের অবিলম্বে সিএমএইচে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিলেন।

আমি রবিউলের কাছে আবার গেলাম। সে অনেক কষ্ট পাচ্ছিল। হঠাত্ তার শরীর নিথর হয়ে গেল। পালস চেক করে ডাক্তার বললেন, ‘সরি, তাকে বাঁচাতে পারলাম না। অনেক চেষ্টা করলাম।’ তখন আমার বুক ফেটে কান্না আসছিল। আমি পুলিশ-পরিবারের প্রধান। আমার চোখের সামনে আমারই এক পুলিশ অফিসার মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মৃত্য বরণ করল। আমি অসহায়ের মতো চেয়ে চেয়ে দেখলাম। কিছুই করতে পারলাম না। সে ব্যথা যে কত কষ্টের তা ভাষা দিয়ে বোঝানো যাবে না।

আমি হাসপাতাল থেকে ঘটনাস্থলে গেলাম। পুলিশ কমিশনার, ডিজি র্যাব, অ্যাডিশনাল আইজি এসবি-সহ সব সিনিয়র অফিসার ঘটনাস্থলের পাশে একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তার বাসার ড্রয়িংরুমে বসে অপারেশনের সম্বন্ধে আলাপ করছিল। ঢাকার এসপি হাবিবও সেখানে ছিল।

আমি সবার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম জঙ্গিরা দেশি ও বিদেশি কয়েকজনকে জিম্মি করে রেখেছে। অপারেশন চালালে তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এমনকি তাদেরকে মেরেও ফেলতে পারে। পুলিশের সোয়াত টিম অভিযানের জন্য প্রস্তুত ছিল। সোয়াত টিমের অফিসাররা আমাকে বলছিলেন, ‘স্যার এ অভিযানটা আমরাই করব। লোকেশনটা অভিযানের জন্য সহজ। পার্শ্ববর্তী দালান থেকে জঙ্গিদের মুভমেন্ট দেখা যায়। আমাদের স্নাইপাররা ওদেরকে ফেলে দিতে পারবে। অন্যভাবেও সফল অভিযান করা যাবে।’ আমি তাদের বললাম, ‘ভেতরে জিম্মি আছে। তাই আমাদেরকে চিন্তাভাবনা করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করতে হবে।’ আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সার্বিক বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন, ‘সেনাপ্রধানকে বলেছি গণভবনে আসতে। তুমিও চলে আসো। আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

আমি সেনাপ্রধান জেনারেল বেলাল সাহেবের সঙ্গে কথা বললাম। তিনি বললেন, ‘সিলেট থেকে আমাদের কমান্ডো টিমকে আসতে বলেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও গণভবনে যেতে বলেছেন। চলেন সেখানে যাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী নির্দেশ দেন দেখি।’ পুলিশ কমিশনার, ডিজি র্যাব, ডিবির দুই জন অফিসার ও আমি গণভবনে যাই। প্রধানমন্ত্রী সবার কথা শুনে নির্দেশ দিলেন, আর্মির কমান্ডো টিম অভিযান পরিচালনা করবে। পুলিশ ও র্যাব তাদের সহায়তা করবে।’ আর্মির কমান্ডো দল ভোররাতে অভিযান শুরু করে। জঙ্গিরা টের পেয়ে অভিযান শুরুর প্রাক্কালে জিম্মিদের ছেড়ে দেয়। সফল অভিযানে মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে।

হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর গোটা দেশে মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়। বিদেশিরা তাদের পরিবার-পরিজন নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। গার্মেন্টসের বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। মা-বাবারা তাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠাতে ভয় পাচ্ছিল।

হলি আর্টিজান অ্যাটাকের মতো বড়ো জঙ্গি হামলা বাংলাদেশে ওটাই প্রথম ছিল। এ ধরনের অপারেশনে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই আমরা অনেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা সংস্থার অনেক প্রতিনিধিই ঘটনাস্থলে ছিলেন। একেকজন একেকভাবে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। আমার কাছে মনে হলো এভাবে সবার কথা শুনলে বিভ্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সবার পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রয়োজন হলেও অভিযানে একক নেতৃত্ব থাকা প্রয়োজন। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে এবং আমি নিজেই পুলিশ প্রধান হিসেবে একক নেতৃত্বে থাকব। কারণ কাজটি পুলিশের। আমি পুলিশ কর্মকর্তাদের সেভাবে প্রস্তুত করলাম। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইনটেলিজেন্স ইউনিটকে মেধাবী অফিসার দ্বারা শক্তিশালী করলাম। তাদেরকে নানা উদ্যোগ, প্রণোদনা, পরামর্শ ও সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল ও নিবেদিত জনশক্তিতে পরিণত করলাম। পুলিশ সুপার, বগুড়া আসাদুজ্জামান জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক উদ্ঘাটনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। বগুড়াতে তিনি একটি বিশেষ টিম গঠন করেছিলেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইনটেলিজেন্স ইউনিট, বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদ এবং ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজমের চৌকস অফিসারদের যৌথ প্রচেষ্টায় জঙ্গি দমন করা সম্ভব হয়েছিল। হলি আর্টিজানের পর কেবল সিলেটের একটি অপারেশন আর্মির কমান্ডো টিম করেছিল। পাঁচতলা ভবনে ২৮টি ফ্ল্যাট ছিল। জঙ্গিরা একটি ফ্ল্যাটে অবস্থান করেছিল। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সিলেটের জঙ্গি আস্তানার কথা জানালাম। তিনি বললেন, ‘যেহেতু সিলেটে আর্মির কমান্ডো বাহিনী আছে, সেহেতু সেখানে কমান্ডো টিম দিয়ে অভিযান করাই শ্রেয় হবে।’ আমি সেনাপ্রধানকে জানালাম। আর্মির কমান্ডোরা অভিযান করলেন। পুলিশ-র্যাব সহায়তা করেছিল। সিলেটের জঙ্গি আস্তানার সন্নিকটে জঙ্গিদের পাতানো বোমায় র্যাবের একজন লে. কর্নেল এবং পুলিশের দুই জন ইন্সপেক্টর নিহত হন।

গুলশান ও সিলেটের অভিযান ছাড়া সব অভিযানই আমার একক সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা ও তদারকিতে হয়েছিল বলেই সফলতা পেয়েছিলাম। যে ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে জঙ্গিদের আস্তানার ও নাশকতা ঘটানোর প্রস্তুতির খোঁজ পেয়েছিলাম তা অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করলে হয়তো জটিলতা সৃষ্টি হতো এবং সফলতার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা থাকত। অভিযানের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতাম। এভাবে ছোটো-বড়ো প্রায় ৪০-৫০টি অভিযান সফলভাবে করতে পেরেছিলাম। আল্লাহর রহমত ছিল। জনগণের সমর্থন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি আমার ও আমার টিমের সহকর্মীদের কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল।

জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। সব পেশা ও শ্রেণির লোক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। আমি আলেম-ওলামাদের নিয়ে বেশ কয়েকটি উদ্বুদ্ধকরণমূলক সভা করি। মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদসহ অনেক আলেম-ওলামা সভাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। একটি সভায় সিদ্ধান্ত হয় এক লক্ষ আলেমের স্বাক্ষরে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এ মর্মে ফতোয়া দেওয়া হবে যে, ইসলাম ধর্মে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। সেই ফতোয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আলেম সমাজ প্রকাশ করেছিলেন। কমিনিউটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমেও দেশের সর্বত্র জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

হলি আর্টিজান ঘটনায় সাত জন জঙ্গির ফাঁসির আদেশ হয়। ঐ ঘটনায় সম্পৃক্ত আরো ১৩ জন অভিযানে নিহত হয়। প্রথম দিনের অভিযানে পাঁচ জন এবং বাকিরা পরবর্তী সময়ে পুলিশের অভিযানে নিহত হয়। বাংলাদেশে জঙ্গিদের দমন করতে পুলিশ সফল হয়েছে। দেশে-বিদেশে সকলেই জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ সরকারের সফলতাকে প্রশংসা করেছে। আমরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। গুলশানে দুই জন পুলিশ কর্মকর্তা, সিলেটে দুই জন পুলিশ কর্মকর্তা ও এক জন সেনা কর্মকর্তা এবং শোলাকিয়াতে দুই জন কনস্টেবলের আত্মত্যাগ জঙ্গি দমনে সাফল্য এনে দিয়েছে। তাদের পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে তা আমরা পূরণ করতে পারব না। তাদের প্রতি জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞ থাকবে ও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এ আশাই করি। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধিশালী, শান্তিময় ও অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে গড়ে তুলব—এটাই হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার।

n লেখক : সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ

 

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পিল খেয়ে পিরিয়ড বন্ধ রাখছে কিশোরীরা, পাশে দাঁড়ালো সেনোরা

বিয়ে না করে সন্তান জন্মদান: কিশোর-কিশোরীর অভিভাবককে তলব

সম্রাটের জামিন বাতিলের আদেশ বহাল

বাংলাদেশে ‘আদিবাসী’ বিতর্ক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বঙ্গমাতা: তৃতীয় বিশ্বের এলিনর রুজেভেল্ট হলেও তাঁর অবদান আরও ব্যাপক 

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নার্সরাই হলো সামনের সারির যোদ্ধা: স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব 

বঙ্গমাতার জন্মদিনে টুঙ্গিপাড়ায় পুনাকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট