বেতাগীতে আমনের বাম্পার ফলন দাম নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:১৮

বেতাগীতে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। বুলবুলে ক্ষতি সাধনের পরেও খেতে পাকা ধান দেখে বাম্পার ফলন আশা করছেন উপজেলার কৃষকরা। সেই সঙ্গে শঙ্কায়ও  রয়েছেন ন্যায্য দাম নিয়ে।

সরজমিনে উপজেলার বেতাগী পৌরসভা, সদর, বিবিচিনি, হোসনাবাদ, মোকামিয়া, বুড়ামজুমদার, কাজিরাবাদ ও সড়িষামুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং  গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, মাঠভরা আমন ধান। একাধিক চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ফসল ফলাতে পারলেও ন্যায্য দাম নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। গতবারের বাস্তব অভিজ্ঞতার কারণে এ বছরও ধানের দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা। তাদের দাবি, ধানের সঠিক দাম নিশ্চিত করতে এখন থেকেই সরকারি তত্পরতা শুরু করা হোক। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে ১০ হাজার ৭০২ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে। তবে বুলবুলসহ অসময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশ কিছু জমির ফসল ডুবে গেলেও সেগুলো নিয়ে চিন্তিত নয় কৃষিবিভাগ। তাদের দাবি, বন্যায় নিচু জমির ধান ডুবে গেলেও বন্যার স্থায়িত্ব কম থাকায় তেমন একটা ক্ষতি হয়নি আমনের।

এদিকে চলতি মাসে শুরু হয়েছে ধান কাটা। বেতাগী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বর্গা চাষি মো. ফরিদ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের কৃষক মো. ফিরোজ হাওলাদার (৫০) ও টুকা মিয়া (৫২)  জানান,  প্রতি বছরের মতো এবারেও তারা নিজেরসহ ৪ থেকে ৫ একর জমি বর্গা চাষ করেন। ক্রমবর্ধমান খরচের পর ধানের বাজার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হওয়ায় তাদের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরেও চলতি মৌসুমে আমন ধানের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তা পূরণ হয়ে বাড়তি ফসল হয়েছে। এখন প্রয়োজন কৃষকের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।