রাইড শেয়ারিং লাইসেন্স পেল পাঠাও উবার

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:১০

পাঠাও এবং উবার রাইড শেয়ারিং সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে লাইসেন্স (অ্যানলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট) পেয়েছে।

“বাংলাদেশের বৃহত্তম অন-ডিমান্ড ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসাবে, বিআরটিএর অ্যানলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট পেয়ে আমরা  কৃতজ্ঞ,” পাঠাওয়ের সিইও এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মো. ইলিয়াস একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘অ্যানলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট পাঠাওয়ের সঙ্গে যুক্ত লাখও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের উদ্যোগের আরেকটি পদক্ষেপ। পাঠাওয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে রাইড শেয়ারিং খাতের আইনি কাঠাম পূর্ণতা পেল। এ জন্য আমরা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ ও বাংলাদেশ পুলিশসহ সবার কাছে কৃতজ্ঞ।

পাঠাও তার ব্যবহারকারীদের এবং পাঠাও প্ল্যাটফর্মের চালকদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করে চলেছে।  লাখ লাখ মানুষ আজ জীবিকা নির্বাহের জন্য পাঠাওয়ের ওপর নির্ভর করে।  পাঠাও ২০১৬ সাল থেকে রাইড শেয়ারিং সেবা দিয়ে আসছে।

বর্তমানে পাঠাওয়ের প্ল্যাটফর্মে ২ লাখের বেশি নিবন্ধিত চালক এবং প্রায় ৬০ লাখ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে।

লাইসেন্স পাওয়ার পর ও বাংলাদেশ এবং পূর্ব ভারতে উবারের প্রধান রাতুল ঘোষ বলেছেন, “আজ বাংলাদেশে উবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। বিআরটিএ এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আমরা যে সব সহযোগিতা ও সমর্থন পেয়েছি তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা বাংলাদেশের যাতায়াতব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে রাইড শেয়ারিংয়ের সুবিধাগুলো অব্যাহত রাখতে চাই। সামনে এগিয়ে চলার পথে আমরা আমাদের চালক, যাত্রী ও শহরগুলোর জন্য উদ্ভাবনী পণ্য ও সুবিধাসমূহ প্রদান করার মাধ্যমে তাদের আজ যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে হচ্ছে তার সমাধান করতে আমাদের প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। এই লাইসেন্স প্রাপ্তি বাংলাদেশের জন্য আধুনিক যাতায়াতব্যবস্থা, উন্নত শহর ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ।”