আগের দিন হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলেন স্বর্ণজয়ী কারাতেকা মারজান আক্তার প্রিয়া। তার অসুস্থতা কাটিয়ে না উঠতেই গতকাল আবার একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অ্যাথলেটিকসের জহির রায়হান ও আবু তালেব। শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সমস্যায় পড়লে পাশেই ব্লু ক্রস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চিকিত্সা দিলেও তারা পুনরায় ট্র্যাকে নামেননি। ফাইনাল লড়াইয়ে নামতে দেওয়া হয়নি বলে নেপালে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মন্টু।
গতকাল সকালে দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে ৪০০ মিটার ইভেন্টের হিটে লড়াই করছিলেন জহির রায়হান ও আবু তালেব। তারা হিটের বাধা পার হয়ে ফাইনালেও উঠেছিলেন, কিন্তু ফাইনালে খেলার মতো শারীরিক অবস্থা ছিল না। ডাক্তাররা দুই জনকেই না খেলার পরামর্শ দিয়েছেন।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নেপাল ৪ হাজার ফুট ওপরে। সেখানে হঠাত্ করে খেলতে নামলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়, এটা যে কারোরই হতে পারে। ক্রীড়াবিদেরা নেপালে মানিয়ে নেওয়ার জন্য আগেভাগে গিয়ে থাকেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদেরা সেটা করতে পারেননি। কর্মকর্তারা এসব নিয়েও ভাবেন না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে খেলতে হলে শারীরিক প্রস্তুতি থাকা দরকার। বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়াবিদেরই এটা ছিল না। যারা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারেন, তারাও প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো পারফরম্যান্স করতে পারনে না। আবু তালেব ও জহির রায়হান ৪০০ মিটার ইভেন্টে লড়াই করতে পারলে পদকের ছোঁয়া পেতেন—এমনটা মনে করছেন কর্মকর্তারা।
