ইত্তেফাক রিপোর্ট
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে দুই জনকে আটক করেছে দুদক। আটককৃত দুই জন হলেন মো. দ্বীন ইসলাম ও নিপা বেগম। তাদের কাছ থেকে একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী পরিচয়ের ভুয়া আইডি কার্ড জব্দ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে তাদেরকে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানায় সোপর্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (টোল ফ্রি হটলাইন- ১০৬) অভিযোগ আসে যে, দুদকে যাদের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে একটি চক্র যোগাযোগ করে। চক্রটি তাদের জানায় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, আর এই মামলা থেকে তাদেরকে বাঁচানোর আশ্বাস দিয়ে আর্থিক সুবিধা দাবি করে। এসব কথা বিশ্বাসযোগ্য করতে চক্রটি একটি ভুয়া এজাহারের কপি ইমো মেসেঞ্জারে প্রেরণ করে।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ও উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এর সমন্বয়ে গঠিত এনফোর্সমেন্ট টিম গতকাল কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে নিপা বেগম এবং মো. দ্বীন ইসলামকে আটক করে।
এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে দুদক টিম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং মেরামত কার্যক্রম খতিয়ে দেখে। দুদকের পক্ষ হতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে উক্ত মেরামত ও প্রশস্তকরণ কাজে যথাযথ মান নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করা হয়।
এছাড়াও সারাদেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিকট হতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করার অভিযোগে এবং গৃহউন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা প্রকৃত গৃহহীনদের না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে যথাক্রমে প্রধান কার্যালয় এবং কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয় দুটি পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
