ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অঙ্গীকার তামাশা ..........আওয়ামী লীগ

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৩৪

আওয়ামী লীগ বলেছে, ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান রাখা এবং দুর্নীতি রোধের যে অঙ্গীকার করা হয়েছে তা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরিদের নিয়ে তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছে। আর যুদ্ধাপরাধীরা ঐক্যফ্রন্টের আশ্রয় প্রশ্রয়েই আছে। সুতরাং যুদ্ধাপরাধের বিচার তারা করবে এটা একটা হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য। তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভূতের মুখে রাম নাম।

ঐক্যফ্রন্ট ইশতেহার ঘোষণার পর গতকাল সোমবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে দলের পক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এসব কথা বলেন। আব্দুর রহমান বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মনোনয়ন পর্যন্ত দিয়েছে, তারা কী করে এই যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে? এটা জনগণের সঙ্গে নেহায়েত প্রতারণা ছাড়া আর কিছু না। জাতিকে বিভ্রান্ত করে এই ইশতেহারের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্ট ভোটারদের সঙ্গে তামাশা করছে। তিনি বলেন, তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত, খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন হাওয়া ভবন তৈরি করে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করেছিলেন। তিনি (খালেদা জিয়া) নিজে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত। তাদের মুখে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার কথা ভুতের মুখে রাম নাম।

ঐক্যফ্রন্টের প্রতিশ্রুতিকে ‘রাজনৈতিক অপকৌশলের ইশতেহার’ হিসেবে বর্ণনা করেন আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির প্রার্থীদের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কামাল হোসেন যে সংশয় প্রকাশ করেছেন, তার পেছনেও চক্রান্ত আছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা নিজেরাই ঘটিয়েছে, তাদের মনোনয়ন বাণিজ্যে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আর তারা এর দায়ভার আমাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন বানচালের জন্য নানা চক্রান্তের জাল বুনছে তারা। যারা নির্বাচন বানচালের চক্রান্তে আছেন তাদেরকে হুঁশিয়ার করতে চাই, যে কোনো মূল্যে আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, কেন্দ্রীয় সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।