নীলফামারীর জলঢাকায় মহাজোট কর্মীদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী প্রচারণা অফিস ভাংচুরের ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে মামালা করা হয়েছে। সোমবার রাতে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের মোজাম্মেল হক এলু বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এতে জামায়াতের জলঢাকা আমির সাদেরসহ ৫০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩জনকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। তারা হলেন- খুটামারা শিবির সভাপতি আনিছুর রহমান (২১), সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেন (২৫), শিবির কর্মী আবু রায়হান (২২)।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক মেজর রানা মোহাম্মদ সোহেলের নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের রহমানিয়া চৌপুতি নামক এলাকায় তোজাম্মেল হোসেন (৭০) ও আপাদ্দি (৬০) নামক দুইজন প্রজন্ম লীগের কর্মীকে মারপিট করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ সময় মহাজোটের ইউনিয়ন নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করে তারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই পৌরশহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে স্থানীয় জিরো পয়েন্ট মোড়ে সড়ক অবরোধ করে প্রজন্মলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জামায়াত-শিবিরের চিহ্নিত নাশকতাকারীদের গ্রেফতার দাবি নিয়ে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জোনাব আলী, সভাপতি পরেশ চন্দ্র কাচু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, প্রজন্মলীগ নেতা মশিউর রহমান হিট্টু প্রমুখ।
আরও পড়ুন: মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দিতে নিরুৎসাহিত করছে রুশ ট্রল ফার্ম
এ বিষয়ে জলঢাকা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এরই মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
ইত্তেফাক/এমআই
