শৈশবে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে কর্মজীবনে অধিক উপার্জন সম্ভব। নতুন এক সমীক্ষায় এ তথ্য জানিয়েছেন একদল গবেষক। ব্রিটিশ চিকিত্সা সাময়িকী ল্যানসিটে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, গুয়াতেমালার একটি গ্রামে তিন দশক সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, যেসব শিশুকে জন্মের পর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া হয়েছে কর্মজীবনে তারা অধিক উপার্জনক্ষম।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য খেয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় শারীরিক দিক দিয়ে সুস্থ-সবল। কর্মক্ষেত্রেও বেশিমাত্রায় উত্পাদনশীল। যার প্রভাব পড়ে অর্থ উপার্জনেও। দেখা গেছে, পুষ্টিকর খাদ্য স্বল্পতার ভেতর দিয়ে বেড়ে ওঠা তরুণদের চেয়ে প্রথম শ্রেণির তরুণ কর্মজীবীরা গড়ে ৫০ ভাগ বেশি উপার্জন করে থাকে। একই সঙ্গে আরো জানা গেছে, অধিক উপার্জনক্ষম মা-বাবার সন্তানরাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাদ্য খেয়ে থাকে যার প্রভাব পড়ে পরবর্তী কর্মজীবনে।
