রাজধানীর বনানীতে চীনা নাগরিক গাওজিয়ান হুই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যাবসায়িক বিরোধকেই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। গাওজিয়ান পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে পাথর সরবরাহের কাজ করছিলেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে যে বাসায় তাকে হত্যা করা হয়েছে সেই বাসাটি তাকে ঠিক করে দিয়েছিলেন বান্ধবী ছু লি লি। তিনি ঢাকায় আসছেন বলে জানিয়েছেন। তার কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা বাসার ভেতরেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয় ভবনের পেছনে। সেখানে তাড়াহুড়ো করে মাটিচাপা দেওয়ার সময় কেউ দেখে ফেলায় বা কাছাকাছি এসে পড়ায় জড়িতরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ কারণেই মৃতের পায়ের একাংশ ও চুল বেরিয়েছিল। যার কারণে লাশটি উদ্ধার হয়।
এ ঘটনায় আটক গৃহকর্মী, গাড়িচালক ও বাসার নিরাপত্তা কর্মীসহ ছয় জনকে গতকাল পর্যন্ত গ্রেফতার দেখানো হয়নি। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেছেন, নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী ঢাকায় এসেছেন। তিনি হত্যার কারণ সম্পর্কে পুলিশকে কোনো ধারণা দিতে পারেননি। তার ব্যাবসায়িক অংশীদার এবং বান্ধবী ছু লি লি আজই ঢাকায় আসছেন। তিনি কিছু তথ্য দিতে পারেন।
বনানী এ ব্লকের ২৩ নম্বর সড়কের ৮২ নম্বর বাসার ছয় তলায় ৬/বি ফ্ল্যাটে থাকতেন পাথর ব্যবসায়ী গাওজিয়ান। বুধবার বাসার পেছনে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বুধবার রাতে তার ঘনিষ্ঠজন ঝাং শু হং বাদী হয়ে বনানী থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
