ঠাট্টার জন্ম :১৬ মার্চ ২০০৮। ২ চৈত্র ১৪১৪ বঙ্গাব্দ। রবিবার।
মাধ্যম :ইত্তেফাকের সাপ্তাহিক রম্য-বিদ্রূপ সাময়িকী হিসেবে, পাঠকদের জন্য এক্কেবারে ফ্রি!
ঠাট্টার আকার :ঠাট্টার যতসব ঠাট্টামী, তা আট পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ট্যাবলয়েডের আট পাতা হওয়ার আগে ঠাট্টা ম্যাগাজিন আকারে ১৬ পাতার ছিল। যদিও পরিমাণের দিক থেকে উভয়ই যে সমান, তা অনেকেই বুঝেন না। অবশ্য ঠাট্টার প্রথম সংখ্যা ছিল ৩২ পৃষ্ঠা। ওই সংখ্যায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল মাঝে মাঝে ঠাট্টা ৩২ পৃষ্ঠা হবে। তবে সেই ঠাট্টাই এখনো মজবুত আছে।
ঠাট্টার নামকরণ :ঠাট্টা নামক ফান ম্যাগাজিনটির নামকরণ হয় একজন সাবেক ঠাট্টারুর ঠাট্টা অনুসারে। তিনি কী নাম প্রস্তাব করেছিলেন, সেটা সবার জন্য কুইজ হিসেবে থাকল।
পাঠকসংখ্যা :ঠাট্টার প্রথম পাঠক সংখ্যা ছিল ‘রম্য গল্প সংখ্যা’। এরপরে পাগলামি, যন্ত্র, যানবাহন, মজারু, যাচ্ছেতাই, নির্বাচন, চাপাবাজি এবং সর্বশেষ ও বন্ধু গো-সহ ৩০-৪০টির মতো পাঠকসংখ্যা বের হয়েছে। তবে অদ্ভুত স্বপ্ন ও বর্ষা বিলাস বিশেষ ঠাট্টাবলে আলোর মুখ দেখেনি। আর পাঠকসংখ্যা ‘অলস’ আলোর মুখ দেখতে বসে আছে।
ঠাট্টারু ও ঠাট্টাঠক :ঠাট্টায় যারা প্রদায়ক হিসেবে লিখেছেন, তারাই ‘ঠাট্টারু’ নামে অধিক পরিচিত। ঠাট্টায় এ যাবত শতাধিক ঠাট্টারুর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আর যারা ঠাট্টার শুধু পাঠক বা পাঠক-লেখক তারাই ‘ঠাট্টাঠক’ হিসেবে পরিচিত। ঠাট্টাঠকের সংখ্যা কয়েক হাজার হবে। অতি উত্সাহীরা অবশ্য বলেন, ঠাট্টাঠকের সংখ্যা লাখ এমনকি কোটি না ছাড়িয়ে পারে না!
ঠাট্টা তার প্রথম সেঞ্চুরি পূরণ করে ২৩ মে, ২০১০, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৭ তারিখে।
ঠাট্টা দ্বিতীয় শতকের অধিকারী হয় ৭ অক্টোবর, ২০১২, ২২ আশ্বিন ১৪১৯ তারিখে।
ঠাট্টা ত্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকায় ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ০৩ ফাল্গুন ১৪২১ তারিখে
ঠাট্টা চতুর্থ শতক করে ১৮ জুন ২০১৭, ০৪ আষাঢ় ১৪২৪ তারিখে।
আর ঠাট্টার পেন্টা সেঞ্চুরি পূরণ হয়... (এটাও কুইজ হিসেবে থাকল!)
