অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিবস পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিত্সক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এ সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন। বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত অনেকের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছে।
শনিবার বিকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হূদরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিত্সায় আর্থিক সহায়তার অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালিত ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইসিস ও জন্মগত হূদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রতি বছর সাহায্য প্রদান করে আসছে, যা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু, পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ প্রমুখ।
