২০ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত এবি ব্যাংকের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা এবং তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করে এবি ব্যাংক। দুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকে ২০ মিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয় ২০১৩ সালে, এবি ব্যাংকের তত্কালীন পরিচালনা পর্ষদ একটি চুক্তি অনুমোদন করে, যার মাধ্যমে ব্যাংকটি সুরক্ষা হিসেবে সিঙ্গাপুরের একজন আর্থিক মধ্যস্থতাকারীকে ২০ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করবে এবং এর বিনিময়ে এবি ব্যাংক ৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাবে। কিন্তু চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সিঙ্গাপুরে না পাঠিয়ে অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাংকের এমন একটি অ্যাকাউন্টে টাকাগুলো স্থানান্তরিত হয়েছিল যেটি উক্ত চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এবি ব্যাংক কর্তৃক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার স্থানান্তরের আগে ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে যৌথ স্বাক্ষরকারী হিসেবে এই অ্যাকাউন্টে মনোনীত করার কথা ছিল। কিন্তু এটি করা হয়নি এবং এর ফলস্বরূপ এবি ব্যাংকের অজান্তেই ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রত্যাহার করা হয়েছিল। অভিযোগ করা হয় যে, এই মামলার আসামিরা এবি ব্যাংককে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতারণা করার ষড়যন্ত্রের পক্ষে ছিল এবং যার ফলে ব্যাংক কর্মকর্তারা যথাযথ অভ্যন্তরীণ পদ্ধতি মেনে চলেননি এবং যথাযথ রেকর্ড রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
ব্যারিস্টার আবুল কাশেমের সহায়তায় সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমলুল হোসেন কিউসির নেতৃত্বে এ হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, ঢাকার আইনজীবীদের একটি দল এবি ব্যাংকের প্রতিনিধিত্ব করছেন। - প্রেস বিজ্ঞপ্তি
