জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ সদর-সুবর্ণচর আসনটি ১ পৌরসভা ও সদর উপজেলার ২০ এবং সুবর্ণচর উপজেলার ৮ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। জেলার সবচেয়ে বেশি ভোটার অধ্যুষিত এ আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে।
জেলার এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরী ২০১৪ সালের নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি এর আগেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ শাহজাহানকে পরাজিত করেন। গত ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার সুবাদে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরী সাংগঠনিক ভিত দৃঢ় করেন। পাশাপাশি তার সাংগঠনিক তত্পরতায় উজ্জীবিত এ আসনের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তিনি ভোটযুদ্ধে অনেকাংশে এগিয়ে রয়েছেন। একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, আমি এলাকায় সব সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমি জনগণের সাথে ছিলাম বলে আজ নৌকার পক্ষে গণজোয়ার উঠেছে।
অন্যদিকে বিএনপি’র প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান এ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে পর পর চারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে নেই তিনিও। গত ১০ বছর ধরে তার দলীয় অনেক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ও হামলার ভয়ে অনেকে দলীয় কর্মকাণ্ডে অনিয়মিত ও নিশ্চুপ ছিলেন। এতে করে তিনি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও ভোটযুদ্ধে অনেক পিছিয়ে পড়েন।
মোঃ শাহজাহান গত শনিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় যুবলীগের এক নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে দলের কয়েকশ নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারকালে দলীয় নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, প্রচারে বাধা, মাইক ভাঙচুর ও বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোটারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধার সৃষ্টি করছে সরকারি দল।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এ দুই প্রার্থী ছাড়া ও অন্যরা হলেন— জাতীয় পার্টির মোবারক হোসেন আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল হান্নান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ফরিদ মিয়া, খেলাফত মজলিসের আবদুল আলী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের মোঃ মহিন উদ্দিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট বিএনএফের সামসুন নাহার।
