সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে। এ শিক্ষা কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া গ্রামীণ শিশুদের অংশ গ্রহণ চোখে পড়ার মতো।
জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, তাড়াশে ২০০৬ সালে শুরু মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের। ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৩৮টি প্রাক প্রাথমিক, ৫৫টি ছহি পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা ও ১টি বয়স্ক কেন্দ্রে শিক্ষকরা সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত শিশুদের পাঠদান করে থাকেন।
সরেজমিনে নওগাঁ মাজার শাহী মসজিদ, বিনসাড়া উত্তরপাড়া জামে মসজিদ, আরঙ্গাইল জামে মসজিদ, সগুনা জামে মসজিদ, ক্ষুদ্র মাধাইনগর জামে মসজিদে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রেই ৩০/৩৫ জন শিশু অতি আগ্রহের সঙ্গে পাঠদান গ্রহণ করছেন।
এ সময় শিশু শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান, আল মামুন, নাইম হাসান, জিহাদ হাসান, আবু হাসান, আব্দুল্লাহ, তছলিম উদ্দিন, জান্নাতুল ফেরদৌসি, ফাতেমা খাতুন বলেন, শিক্ষকরা তাদের স্নেহ ও ভালবাসা দিয়ে পাঠদান করান। তাদের পাঠ্য বইয়ের পড়া একবারে না পারলে বারবার বুঝিয়ে দেন। বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় সব রকমের শিক্ষা উপকরণও দিয়ে থাকেন। এসব কেন্দ্রে পড়তে তাদের খুব ভালো লাগে।
শিক্ষক আসাদুজ্জামান, আব্দুল গফুর, ফজলুল হক, আল মাহমুদ, ওবায়দুল্লাহ বলেন, পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জাতীয় দিবস সম্পর্কে ধারনা, তাদের ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, জঙ্গি, সন্ত্রাস, মাদক ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধমূলক আলোচনা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. বজলুল করিম বলেন, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তাড়াশ উপজেলার বেশকিছু সংখ্যক শিশুকে ছহি পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা ও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে একটি কেন্দ্রে নিরক্ষর বয়স্কদের অক্ষর জ্ঞান ও ইসলামিক জ্ঞান সম্পর্কে ধারনা দেওয়া হচ্ছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
