ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী ঢাকা মহানগর যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে মাদক মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান এ চার্জশিটটি গ্রহণ করে সিএমএম বরাবরে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১-এর উপপরিদর্শক এসআই (নিরস্ত্র) আ. হালিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ-উর-রহমানের দপ্তরে জমা পড়া চার্জশিটে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
রাজধানীতে অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে আটক করে র্যাব। একই সঙ্গে সম্রাটের সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আটক করা হয়।
ঐদিনই কাকরাইলে যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র-গুলি, মাদক ও ক্যাঙ্গারুসহ বিরল প্রজাতির প্রাণীর চামড়া উদ্ধার করেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বন্যপ্রাণীর চামড়া সংরক্ষণের দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন সম্রাটকে। ঐ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর বিকেলে সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
