জাতীয় পতাকা ব্যবহারে সচেতনতা প্রয়োজন

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:০০

জাতীয় পতাকা একটি রাষ্ট্রের পরিচয়, জাতীয়তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই লাল-সবুজের পতাকা। এটি শুধু একখণ্ড কাপড় নয়, এটি দেশের স্বাধীনতার প্রতীক। কিন্তু এ প্রতীক ব্যবহারের বিধি সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নন; অথচ জাতীয় পতাকা বিধিমালা ১৯৭২-এ জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিভিন্ন বিধি-বিধান রয়েছে। বিজয়ের এই মাসে অনেকে বাসাবাড়ি-গাড়ি-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করেন, কিন্তু দেখা যায় সন্ধ্যার পরও পতাকা নামানো হয় না। আবার নিজেদের ইচ্ছেমতো মাপে, রঙে বানিয়ে আখাম্বা একটা খুঁটিতে উড়িয়ে দেন। এসব জাতীয় পতাকার অবমাননা! আইনে এসব বিষয়ে স্পষ্ট উলে­খ করা হয়েছে এবং অবমাননা প্রতিরোধে শাস্তির বিধানও আছে। ২০১০ সালের জুলাই মাসে এই আইন সংশোধন করে সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তি এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তাই আসুন, জাতীয় পতাকা ব্যবহারে সচেতন হই। আমাদের পতাকার মান রক্ষার দায় আমাদেরই। জাতীয় দিবসগুলোতেই সাধারণ মানুষ জাতীয় পতাকার সংস্পর্শে আসে। এ সময়ই লিফলেট বিতরণ করে প্রশাসন জাতীয় পতাকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারে। বিষয়টির প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন

পটিয়া, চট্টগ্রাম